ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা: হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ ২১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কুমিল্লার হোমনা-তিতাস আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খানের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মোট ২১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে হোমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হক জহর।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মতিন খান, মামলার বাদী জহিরুল হক জহর এবং তাদের সমর্থকরা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামে মরহুম ইঞ্জিনিয়ার আবদুল জলিল চেয়ারম্যানের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে হোমনা ওভারব্রিজের নিচে পৌঁছালে বিএনপির একদল নেতাকর্মী তাদের গাড়িবহরের পথরোধ করে। অভিযোগ উঠেছে, এ সময় হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত আক্রমণ চালায় এবং জহিরুল হক জহরের গাড়ি ভাঙচুর করে। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই হামলায় অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন আহত হয়েছেন।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) দীনেশচন্দ্র দাস গুপ্ত মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংসদীয় আসন কুমিল্লা-২ এর স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

হামলার বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খান বলেন, “২২ জানুয়ারি বিকেলে আমরা ইঞ্জিনিয়ার আবদুল জলিল চেয়ারম্যানের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলাম। হোমনা ওভারব্রিজের নিচে পৌঁছানোর পরপরই বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে জহিরুল হক জহরের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনায় থানায় আইনি প্রতিকার চেয়ে মামলা করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে জানতে হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালের নির্বাচনকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কুমিল্লায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা: হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ ২১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৩:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কুমিল্লার হোমনা-তিতাস আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খানের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মোট ২১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে হোমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হক জহর।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মতিন খান, মামলার বাদী জহিরুল হক জহর এবং তাদের সমর্থকরা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামে মরহুম ইঞ্জিনিয়ার আবদুল জলিল চেয়ারম্যানের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে হোমনা ওভারব্রিজের নিচে পৌঁছালে বিএনপির একদল নেতাকর্মী তাদের গাড়িবহরের পথরোধ করে। অভিযোগ উঠেছে, এ সময় হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত আক্রমণ চালায় এবং জহিরুল হক জহরের গাড়ি ভাঙচুর করে। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই হামলায় অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন আহত হয়েছেন।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) দীনেশচন্দ্র দাস গুপ্ত মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংসদীয় আসন কুমিল্লা-২ এর স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

হামলার বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খান বলেন, “২২ জানুয়ারি বিকেলে আমরা ইঞ্জিনিয়ার আবদুল জলিল চেয়ারম্যানের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলাম। হোমনা ওভারব্রিজের নিচে পৌঁছানোর পরপরই বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে জহিরুল হক জহরের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনায় থানায় আইনি প্রতিকার চেয়ে মামলা করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে জানতে হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।