ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা: ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানালো ইরান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার যে সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) গ্রহণ করেছে, তার কঠোর সমালোচনা ও নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত এই জোটের এমন পদক্ষেপকে অবৈধ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি বলে অভিহিত করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে সন্ত্রাসী তকমা দেওয়া কেবল আন্তর্জাতিক রীতিনীতির লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল। তেহরান মনে করে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই হঠকারী সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, নিজেদের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে যেকোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্ণ অধিকার তেহরান সংরক্ষণ করে। এই বিতর্কিত পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে যে ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, তার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকেই সম্পূর্ণ দায়ভার বহন করতে হবে।

মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইইউর পক্ষ থেকে আইআরজিসিকে নিষিদ্ধ করার এই ঘোষণা এলো, যাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর প্রবাসীর মৃত্যু, আহত ২

আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা: ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানালো ইরান

আপডেট সময় : ১০:২৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার যে সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) গ্রহণ করেছে, তার কঠোর সমালোচনা ও নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত এই জোটের এমন পদক্ষেপকে অবৈধ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি বলে অভিহিত করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে সন্ত্রাসী তকমা দেওয়া কেবল আন্তর্জাতিক রীতিনীতির লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল। তেহরান মনে করে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই হঠকারী সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, নিজেদের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে যেকোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্ণ অধিকার তেহরান সংরক্ষণ করে। এই বিতর্কিত পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে যে ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, তার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকেই সম্পূর্ণ দায়ভার বহন করতে হবে।

মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইইউর পক্ষ থেকে আইআরজিসিকে নিষিদ্ধ করার এই ঘোষণা এলো, যাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।