সামনে যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসছে, সেটা যেন সবার অংশগ্রহণে (অংশগ্রহণমূলক), অবাধ আর সুষ্ঠুভাবে হতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্যই নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটা সভা ডেকেছে। এই সমন্বয় আর প্রস্তুতিমূলক সভাটি হবে ৩১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে।
নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই সভাটি আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার আ ম ম নাসির উদ্দিন তো থাকবেনই, সাথে অন্য চারজন নির্বাচন কমিশনারেরও যোগ দেওয়ার কথা আছে।
এর আগে, গত ২৬ অক্টোবর ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা একটা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল যে, এই সভার আসল উদ্দেশ্য হলো, নির্বাচনের কাজের সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় আর কর্তৃপক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা করা আর কাজের বোঝাপড়াটা (সমন্বয়) সহজ করা।
এই সভায় ইসি যাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন: মন্ত্রিপরিষদ সচিব; বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর; স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, নৌপরিবহন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবেরা; পররাষ্ট্রসচিব; সমন্বয় ও সংস্কার অফিসের সচিব; এছাড়াও আছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, অর্থ বিভাগ (অর্থ মন্ত্রণালয়), স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার বিভাগ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবেরা।
এই তালিকাতে আরও যাদের নাম আছে, তারা হলেন— ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব (বা ভারপ্রাপ্ত সচিব); বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মহাপরিচালক; চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা বিভাগের মহাপরিচালক; ডাক বিভাগের মহাপরিচালক; বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক; বাংলাদেশ বেতারের চেয়ারম্যান; বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী; শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী এবং কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন)।
রিপোর্টারের নাম 

























