পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তেহরানের সাথে সমঝোতার সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বলে ইরানকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যদি আলোচনা ফলপ্রসূ না হয়, তবে ইরানের ওপর পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভয়াবহ হামলা চালানো হতে পারে। তবে, তেহরান এই মার্কিন হুমকি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। এমন পরিস্থিতিতে, যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার বাহিনীকে আক্রমণের নির্দেশ দেন, তবে এর সম্ভাব্য পরিণতি কী হতে পারে তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
মার্কিন হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলো তুলনামূলকভাবে অনুমানযোগ্য হলেও, এর প্রকৃত ফলাফল এখনো নিশ্চিত নয়। বিবিসির এক প্রতিবেদনে সম্ভাব্য কিছু পরিণতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রথমত, মার্কিন বাহিনী ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং এর অধীনস্থ আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ ইউনিটের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। সীমিত ও নির্ভুল হামলা চালানোর জন্য বিমান ও নৌবাহিনী ব্যবহার করা হতে পারে। এছাড়াও, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও সংরক্ষণাগার এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোও হামলার আওতায় আসতে পারে। এই ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের বর্তমান শাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 























