ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

শেরপুরের সহিংসতা অনাকাঙ্ক্ষিত, সুষ্ঠু তদন্ত চায় বিএনপি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমীন। তিনি বলেন, চেয়ারে বসার মতো একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমীন অভিযোগ করেন, নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলের জন্য নির্ধারিত আসন থাকা সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীরা আগে থেকেই সব চেয়ার দখল করে রাখেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য নির্ধারিত আসন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান। প্রশাসন বারবার অনুরোধ করলেও তারা তা মানেননি।

তিনি বলেন, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম গণঅভ্যুত্থানের পর একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল নির্বাচনি পরিবেশ। কিন্তু শেরপুরের ঘটনাটি সেই প্রত্যাশাকে ব্যাহত করেছে।

শেরপুরের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে মাহদী আমীন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, জামায়াতের প্রার্থীকে সংঘাত এড়াতে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য পুলিশ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী এবং বিএনপির সিনিয়র নেতারা বারবার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু সব অনুরোধ উপেক্ষা করে তিনি সংঘাতপূর্ণ পথেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকাসক্ত বাবার হাতে ৭ মাসের শিশু খুন: ভৈরবে চাঞ্চল্য

শেরপুরের সহিংসতা অনাকাঙ্ক্ষিত, সুষ্ঠু তদন্ত চায় বিএনপি

আপডেট সময় : ০১:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

শেরপুরে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমীন। তিনি বলেন, চেয়ারে বসার মতো একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমীন অভিযোগ করেন, নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলের জন্য নির্ধারিত আসন থাকা সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীরা আগে থেকেই সব চেয়ার দখল করে রাখেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য নির্ধারিত আসন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান। প্রশাসন বারবার অনুরোধ করলেও তারা তা মানেননি।

তিনি বলেন, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম গণঅভ্যুত্থানের পর একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল নির্বাচনি পরিবেশ। কিন্তু শেরপুরের ঘটনাটি সেই প্রত্যাশাকে ব্যাহত করেছে।

শেরপুরের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে মাহদী আমীন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, জামায়াতের প্রার্থীকে সংঘাত এড়াতে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য পুলিশ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী এবং বিএনপির সিনিয়র নেতারা বারবার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু সব অনুরোধ উপেক্ষা করে তিনি সংঘাতপূর্ণ পথেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।