দেশে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি শোষণহীন সমাজ বিনির্মাণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির মো. রুহুল আমিন। তিনি বলেন, জনগণের মৌলিক অধিকার ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
শনিবার চুয়াডাঙ্গার দর্শনা পৌরসভার মেমনগর, ঈশ্বরচন্দ্রপুর চৌরাস্তা মোড় এবং কালিদাসপুর এলাকায় আয়োজিত যুব সমাজের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল আমিন বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৪ বছর অতিবাহিত হলেও সাধারণ মানুষ আজও তাদের কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অন্ন, বস্ত্র ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান করা হবে। তিনি দাবি করেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা অতীতে কখনো চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহারে লিপ্ত হয়নি এবং ভবিষ্যতেও জনগণের সেবাতেই তারা নিয়োজিত থাকবে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, জামায়াতের কাছে ধর্ম-বর্ণ বা রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়। দেশের ১৮ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়াই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। মানুষের মুখে হাসি না ফোটা পর্যন্ত এই পথচলা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের (জীবননগর, দামুড়হুদা ও সদরের আংশিক) ভোটারদের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন রুহুল আমিন। এর আগে তিনি নেহালপুর ইউনিয়নের সুকদিয়া, দোস্ত গ্রাম ও দোস্তের বাজার এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট আসাদুল্লাহ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর আহমেদ, দর্শনা পৌর জামায়াতের আমির সাহিকুল আলম অপু, নায়েবে আমির গোলজার হোসেন এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের থানা সভাপতি আজিজুল ইসলামসহ স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা আগামী দিনে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
রিপোর্টারের নাম 























