ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামকে প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানী ও দুর্নীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার: তারেক রহমানের কাছে সাঈদ আল নোমানের তিন দাবি

চট্টগ্রামকে একটি কার্যকর বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের কাছে তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেছেন চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-পাহাড়তলী) আসনের দলীয় প্রার্থী সাঈদ আল নোমান। রোববার দুপুরে নগরীর ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় ১৬টি আসনের সংসদীয় প্রার্থীদের উপস্থিতিতে তিনি এসব দাবি তুলে ধরেন।

সাঈদ আল নোমান তার বক্তব্যে এই তিন দাবিকে চট্টগ্রামের আপামর জনসাধারণের প্রাণের দাবি হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বহুগুণ ত্বরান্বিত হবে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত বাণিজ্যিক রাজধানীর স্বপ্ন পূর্ণতা পাবে। এর ফলে চট্টগ্রামের মানুষ আর কোনো দিক থেকেই পিছিয়ে থাকবে না।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, “২০১২ সালে এই মাঠেই আমরা প্রমাণ করেছিলাম চট্টগ্রামের মানুষ বেগম খালেদা জিয়াকে কতটা ভালোবাসে। ১৯৮৭ সালের ৪ নভেম্বর আমার পিতা আব্দুল্লাহ আল নোমান তাকে ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। একজন রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে আমি আজ চট্টগ্রামের মানুষের পক্ষ থেকে আমাদের নেতা তারেক রহমানের কাছে তিনটি দাবি পেশ করছি।”

তার উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো—চট্টগ্রামকে কেবল কাগজে-কলমে নয়, বরং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা। ২০০৩ সালে বিএনপি সরকারের সময় ঘোষিত এই রূপকল্প বাস্তবায়নের ওপর তিনি জোর দেন। দ্বিতীয়ত, দেশের ভবিষ্যতের প্রধান দুই স্তম্ভ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তন ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে তারেক রহমানের পলিসি টিম ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তৃতীয় এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি হিসেবে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বা কঠোর অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, অতীতের যেকোনো সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে আগামীতে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও সমাজ গঠনই হবে মূল লক্ষ্য।

সাঈদ আল নোমান আরও বলেন, তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই আজ তারা জনগণের সামনে দাঁড়াতে পেরেছেন। আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে জয় ছিনিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ১২ তারিখের বিজয় হবে ঐতিহাসিক এবং এর মাধ্যমেই চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের দুঃখ ও বঞ্চনার অবসান ঘটবে। ইনশাআল্লাহ, চট্টগ্রামবাসীর এই বিজয় স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১১ কেজি গাঁজাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

চট্টগ্রামকে প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানী ও দুর্নীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার: তারেক রহমানের কাছে সাঈদ আল নোমানের তিন দাবি

আপডেট সময় : ১১:২১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামকে একটি কার্যকর বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের কাছে তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেছেন চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-পাহাড়তলী) আসনের দলীয় প্রার্থী সাঈদ আল নোমান। রোববার দুপুরে নগরীর ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় ১৬টি আসনের সংসদীয় প্রার্থীদের উপস্থিতিতে তিনি এসব দাবি তুলে ধরেন।

সাঈদ আল নোমান তার বক্তব্যে এই তিন দাবিকে চট্টগ্রামের আপামর জনসাধারণের প্রাণের দাবি হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বহুগুণ ত্বরান্বিত হবে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত বাণিজ্যিক রাজধানীর স্বপ্ন পূর্ণতা পাবে। এর ফলে চট্টগ্রামের মানুষ আর কোনো দিক থেকেই পিছিয়ে থাকবে না।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, “২০১২ সালে এই মাঠেই আমরা প্রমাণ করেছিলাম চট্টগ্রামের মানুষ বেগম খালেদা জিয়াকে কতটা ভালোবাসে। ১৯৮৭ সালের ৪ নভেম্বর আমার পিতা আব্দুল্লাহ আল নোমান তাকে ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। একজন রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে আমি আজ চট্টগ্রামের মানুষের পক্ষ থেকে আমাদের নেতা তারেক রহমানের কাছে তিনটি দাবি পেশ করছি।”

তার উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো—চট্টগ্রামকে কেবল কাগজে-কলমে নয়, বরং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা। ২০০৩ সালে বিএনপি সরকারের সময় ঘোষিত এই রূপকল্প বাস্তবায়নের ওপর তিনি জোর দেন। দ্বিতীয়ত, দেশের ভবিষ্যতের প্রধান দুই স্তম্ভ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তন ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে তারেক রহমানের পলিসি টিম ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তৃতীয় এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি হিসেবে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বা কঠোর অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, অতীতের যেকোনো সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে আগামীতে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও সমাজ গঠনই হবে মূল লক্ষ্য।

সাঈদ আল নোমান আরও বলেন, তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই আজ তারা জনগণের সামনে দাঁড়াতে পেরেছেন। আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে জয় ছিনিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ১২ তারিখের বিজয় হবে ঐতিহাসিক এবং এর মাধ্যমেই চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের দুঃখ ও বঞ্চনার অবসান ঘটবে। ইনশাআল্লাহ, চট্টগ্রামবাসীর এই বিজয় স্মরণীয় হয়ে থাকবে।