লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় নির্বাচনি গণসংযোগ ও প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রোববার বিকেলে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেডিকেল মোড় সংলগ্ন কসাইটারী এলাকায় এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল ইসলাম রাজু এবং বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান রাজীব প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রোববার বিকেলে একই এলাকায় দুই প্রার্থীর সমর্থকরা পৃথকভাবে গণসংযোগ শুরু করলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুই দলের বেশ কয়েকজন সক্রিয় কর্মী আহত হন।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু জানান, ঠিক কী কারণে বা কোন বিষয় নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে, সে সম্পর্কে তিনি এখনও নিশ্চিত নন। আহতের সঠিক সংখ্যা জানতে তিনি তথ্য সংগ্রহ করছেন বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, সংঘর্ষের বিষয়ে মন্তব্য জানতে বিএনপি প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নির্বাচনি প্রচারণার সময় দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেহেতু বিষয়টি নির্বাচনি আচরণবিধির সাথে সংশ্লিষ্ট, তাই তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 























