ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

গণভোটের ন্যায্যতা এবং পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র: আদিলুর রহমান খানের বক্তব্য

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশকে নতুনভাবে মুক্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আসন্ন গণভোট অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলেই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে এবং এই অভ্যুত্থানের মূল সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের জন্য তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

শুক্রবার (তারিখ উল্লেখ করা হয়নি) রংপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আদিলুর রহমান খান বলেন, যারা দেশের অগ্রগতি চায় না এবং অতীতের ব্যর্থতায় নিমজ্জিত, তারাই এই গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন যে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর বিপক্ষে থাকা শক্তিগুলো মূলত পরাজিত এবং জনবিচ্ছিন্ন।

এর আগে, রংপুর জেলা প্রশাসকের হলরুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান অংশ নেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারীদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পর তিনি এই সভায় বক্তব্য রাখেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত এই সভায় সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবও বক্তব্য রাখেন। বক্তারা গণভোটের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের সহযোগী এবং জনগণের প্রতিপক্ষ, তারাই গণভোটের বিপক্ষে ভিন্নমত পোষণ করতে পারে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তিকে কখনোই ফিরে আসতে দেওয়া যায় না এবং এই কারণে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কোনো বিকল্প নেই। তিনি সাধারণ ভোটারদের এই বিষয়ে সচেতন করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি গণভোটে কীভাবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের চিহ্নে সিল মারতে হবে, তা বোঝানোর দায়িত্ব নির্বাচন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ওপর অর্পণ করেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬, আহত ৩৫

গণভোটের ন্যায্যতা এবং পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র: আদিলুর রহমান খানের বক্তব্য

আপডেট সময় : ০৬:৪২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশকে নতুনভাবে মুক্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আসন্ন গণভোট অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলেই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে এবং এই অভ্যুত্থানের মূল সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের জন্য তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

শুক্রবার (তারিখ উল্লেখ করা হয়নি) রংপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আদিলুর রহমান খান বলেন, যারা দেশের অগ্রগতি চায় না এবং অতীতের ব্যর্থতায় নিমজ্জিত, তারাই এই গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন যে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর বিপক্ষে থাকা শক্তিগুলো মূলত পরাজিত এবং জনবিচ্ছিন্ন।

এর আগে, রংপুর জেলা প্রশাসকের হলরুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান অংশ নেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারীদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পর তিনি এই সভায় বক্তব্য রাখেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত এই সভায় সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবও বক্তব্য রাখেন। বক্তারা গণভোটের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের সহযোগী এবং জনগণের প্রতিপক্ষ, তারাই গণভোটের বিপক্ষে ভিন্নমত পোষণ করতে পারে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তিকে কখনোই ফিরে আসতে দেওয়া যায় না এবং এই কারণে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কোনো বিকল্প নেই। তিনি সাধারণ ভোটারদের এই বিষয়ে সচেতন করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি গণভোটে কীভাবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের চিহ্নে সিল মারতে হবে, তা বোঝানোর দায়িত্ব নির্বাচন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ওপর অর্পণ করেন তিনি।