ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

জামায়াত প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় দলটির উদ্বেগ, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ এনায়েত উল্লাহর ওপর দুষ্কৃতকারীদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দলটি। গত বৃহস্পতিবার রাতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির বলেন, দেশে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার জন্য দলটি বারবার সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিল। কিন্তু সেই দাবি আমলে নেওয়া হয়নি।

আব্দুস সবুর ফকির অভিযোগ করেন, জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের এখনো আইনের আওতায় আনা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা টার্গেট হচ্ছেন বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, দুটি শক্তি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট বানচাল করতে গোপন আঁতাত করে ষড়যন্ত্র করছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আব্দুস সবুর ফকির বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবিলম্বে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় না আনলে জাতির প্রত্যাশিত নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না।

তিনি সকল দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার পাশাপাশি সকল প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জাতি কোনো প্রহসনের নির্বাচন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন মেনে নেবে না। জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটলে আবারও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

উল্লেখ্য, হাফেজ এনায়েত উল্লাহ জানিয়েছেন, তার নির্বাচনী সমাবেশ চলাকালীন কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি তার আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল। তার দেহরক্ষীরা এদের মধ্যে দুজনকে আটক করেন, যাদের কাছে ধারালো অস্ত্র পাওয়া যায়। অপর একজন পিস্তলসহ পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আটককৃতদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার রাতে চকবাজার থানার সামনে স্থানীয় বাসিন্দা ও জামায়াত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

জামায়াত প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় দলটির উদ্বেগ, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ এনায়েত উল্লাহর ওপর দুষ্কৃতকারীদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দলটি। গত বৃহস্পতিবার রাতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির বলেন, দেশে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার জন্য দলটি বারবার সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিল। কিন্তু সেই দাবি আমলে নেওয়া হয়নি।

আব্দুস সবুর ফকির অভিযোগ করেন, জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের এখনো আইনের আওতায় আনা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা টার্গেট হচ্ছেন বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, দুটি শক্তি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট বানচাল করতে গোপন আঁতাত করে ষড়যন্ত্র করছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আব্দুস সবুর ফকির বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবিলম্বে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় না আনলে জাতির প্রত্যাশিত নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না।

তিনি সকল দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার পাশাপাশি সকল প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জাতি কোনো প্রহসনের নির্বাচন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন মেনে নেবে না। জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটলে আবারও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

উল্লেখ্য, হাফেজ এনায়েত উল্লাহ জানিয়েছেন, তার নির্বাচনী সমাবেশ চলাকালীন কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি তার আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল। তার দেহরক্ষীরা এদের মধ্যে দুজনকে আটক করেন, যাদের কাছে ধারালো অস্ত্র পাওয়া যায়। অপর একজন পিস্তলসহ পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আটককৃতদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার রাতে চকবাজার থানার সামনে স্থানীয় বাসিন্দা ও জামায়াত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।