ঢাকার ধামরাইয়ে বেড়াতে এসে এক মুসলিম গৃহবধূ সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা ঘটেছে একটি হিন্দু বাড়িতে। ঘটনার পর লোকলজ্জা ও আতঙ্কে আত্মগোপন করেছেন ভুক্তভোগী নারী, ফলে এখনো পুলিশের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে পুলিশ এরই মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে কাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ধামরাইয়ে বেড়াতে এসে এক মুসলিম গৃহবধূ একটি হিন্দু বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সেখানেই সংঘবদ্ধ একটি চক্র তাকে ধর্ষণ করে এবং তার পরনে থাকা স্বর্ণের গহনা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী নারী এতটাই ভীত ও লজ্জিত যে তিনি পুলিশের কাছে যেতে পারেননি এবং আত্মগোপন করে আছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ নূরে আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তিনি তার দলবল নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই বা লুটপাটের অভিযোগের আংশিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে ধর্ষণের বিষয়ে ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি।
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা খান জানান, পুলিশ ভুক্তভোগী নারীর আনুষ্ঠানিক অভিযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা ভিকটিমের কোনো অভিযোগ এখনো পর্যন্ত পাইনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী মামলা গ্রহণ করা হবে। তবে লুটপাটের ঘটনার বিষয়ে কিছু সত্যতা মিলেছে, যা আমরা খতিয়ে দেখছি।” পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগীকে নির্ভয়ে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা যায়।
রিপোর্টারের নাম 





















