দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত প্রহরীরা যদি সর্বদা সজাগ ও সতর্ক থাকেন, তবে কেউ বাংলাদেশের সীমান্ত লঙ্ঘন করার সাহস পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। শনিবার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়ায় বাস্তবায়নাধীন ‘বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাগার’ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, “আমাদের নিরাপত্তাপ্রহরীরা সদা সতর্ক থাকলে কোনো অপশক্তিই বাংলাদেশের সীমান্ত অতিক্রম বা লঙ্ঘন করতে পারবে না।” সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অতন্দ্র প্রহরার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
উখিয়া ও টেকনাফ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে গৃহীত ব্যতিক্রমী এই প্রকল্পটির ভূয়সী প্রশংসা করেন উপদেষ্টা। তিনি উল্লেখ করেন, এই অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাওয়া এবং পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ দীর্ঘকাল ধরে নিরাপদ পানির অভাবে ভুগছেন। এই সংকট মোকাবিলায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রকল্প একটি কার্যকর, টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে কাজ করবে।
প্রকল্পের কারিগরি দিক তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্ষা মৌসুমে আকাশ থেকে পড়া বৃষ্টির পানি বিশেষ পদ্ধতিতে বিশাল সংরক্ষণাগারে জমা করা হবে। পরবর্তীতে আধুনিক ও উন্নত পরিশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই পানি ব্যবহার উপযোগী করে সারা বছর স্থানীয় জনগণের মাঝে সরবরাহ করা হবে। এর ফলে একদিকে যেমন সুপেয় পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।
প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জানান, নির্ধারিত কাজের মধ্যে ইতোমধ্যে দুই থেকে তিনটি ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে কাজের গুণগত মান বজায় রাখার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে জনস্বার্থে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের বাকি কাজ শেষ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
রিপোর্টারের নাম 
























