ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

মালদহে মোদির হুঙ্কার: তৃণমূল ‘জনগণের শত্রু’, বিদায় জানানোর আহ্বান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গের মালদহে এক জনসভা থেকে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে ‘জনগণের শত্রু’ আখ্যা দিয়ে উৎখাতের আহ্বান জানিয়েছেন। দরিদ্রদের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো অর্থ তৃণমূল নেতারা লুট করছেন অভিযোগ করে তিনি রাজ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এই ‘নিষ্ঠুর’ সরকারকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে বলে ঘোষণা দেন।

জনসভায় মোদি ‘পাল্টানো দরকার’ স্লোগান তুলে জনতার কাছে জানতে চান, তারা কী চায়। জবাবে উপস্থিত জনতা ‘চাই বিজেপি সরকার’ ধ্বনিতে সায় দেয়। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার যে লক্ষ্যমাত্রা ভারত সরকার নির্ধারণ করেছে, তার জন্য পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। তিনি বিহার, ওডিশা এবং ত্রিপুরার মতো রাজ্যগুলোর উদাহরণ তুলে ধরে দাবি করেন, এবার পশ্চিমবঙ্গের জনগণও বিজেপিকে বিপুল ভোটে জয়ী করবে।

মহারাষ্ট্রের পৌরসভা (বিএমসি) নির্বাচনের ফলাফলকে ‘ঐতিহাসিক’ উল্লেখ করে মোদি বলেন, মুম্বাইয়ের জনগণ বিজেপির প্রতি আস্থা দেখিয়েছে। একইসাথে কেরালায় তিরুবনন্তপুরমের প্রথম বিজেপি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকেও তিনি সাফল্যের দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে নতুন প্রজন্ম (জেন-জি) বিজেপির উন্নয়ন মডেলে বিশ্বাসী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের জনগণের প্রতি এই সাফল্যের ধারা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তৃণমূল সরকার ‘অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার বানানোর’ রাজনীতি করছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যদি বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করে, তাহলে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের নির্দেশে মাঝপথ থেকে ফিরল ‘বাংলার জয়যাত্রা’: আবারও অনিশ্চয়তায় হরমুজ প্রণালি পারাপার

মালদহে মোদির হুঙ্কার: তৃণমূল ‘জনগণের শত্রু’, বিদায় জানানোর আহ্বান

আপডেট সময় : ০৭:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গের মালদহে এক জনসভা থেকে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে ‘জনগণের শত্রু’ আখ্যা দিয়ে উৎখাতের আহ্বান জানিয়েছেন। দরিদ্রদের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো অর্থ তৃণমূল নেতারা লুট করছেন অভিযোগ করে তিনি রাজ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এই ‘নিষ্ঠুর’ সরকারকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে বলে ঘোষণা দেন।

জনসভায় মোদি ‘পাল্টানো দরকার’ স্লোগান তুলে জনতার কাছে জানতে চান, তারা কী চায়। জবাবে উপস্থিত জনতা ‘চাই বিজেপি সরকার’ ধ্বনিতে সায় দেয়। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার যে লক্ষ্যমাত্রা ভারত সরকার নির্ধারণ করেছে, তার জন্য পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। তিনি বিহার, ওডিশা এবং ত্রিপুরার মতো রাজ্যগুলোর উদাহরণ তুলে ধরে দাবি করেন, এবার পশ্চিমবঙ্গের জনগণও বিজেপিকে বিপুল ভোটে জয়ী করবে।

মহারাষ্ট্রের পৌরসভা (বিএমসি) নির্বাচনের ফলাফলকে ‘ঐতিহাসিক’ উল্লেখ করে মোদি বলেন, মুম্বাইয়ের জনগণ বিজেপির প্রতি আস্থা দেখিয়েছে। একইসাথে কেরালায় তিরুবনন্তপুরমের প্রথম বিজেপি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকেও তিনি সাফল্যের দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে নতুন প্রজন্ম (জেন-জি) বিজেপির উন্নয়ন মডেলে বিশ্বাসী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের জনগণের প্রতি এই সাফল্যের ধারা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তৃণমূল সরকার ‘অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার বানানোর’ রাজনীতি করছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যদি বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করে, তাহলে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।