নববর্ষের প্রাক্কালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে উষ্ণতার নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু সেই আশা দ্রুতই ক্ষীণ হয়ে আসে, যখন বছরের শুরুতেই একটি ক্রিকেটীয় বিতর্ক দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে। বিখ্যাত বাংলাদেশী ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ এবং এর প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অংশগ্রহণে সম্ভাব্য শর্তারোপের বিষয়টি এই উত্তেজনার জন্ম দেয়।
এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রথমত, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করবে, তবে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে তারা ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কা বা অন্য কোনো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলতে আগ্রহী। দ্বিতীয়ত, আইপিএল সম্প্রচার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ভারতের আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তগুলো বাংলাদেশের জন্য সঠিক। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করলে বাংলাদেশের ক্রিকেট দল এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ম্যাচ থেকে বঞ্চিত হতো, যা খেলার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলত। অন্যদিকে, আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ করার সিদ্ধান্তটি একটি কার্যকর পাল্টা জবাব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা পূর্বে তেমন দেখা যায়নি।
উল্লেখ্য, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ঢাকা এসেছিলেন গত বছর (বছর উল্লেখ করুন) ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করতে। তাঁর ঢাকা ত্যাগের মাত্র তিন দিন পর, গত (তারিখ উল্লেখ করুন) জানুয়ারি মাসে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনাটি ঘটে। এই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দুই দেশের মধ্যে আশার আলো জ্বলার পরিবর্তে, বিশ্ববাসী হিন্দুত্ববাদের একটি ভিন্ন রূপ প্রত্যক্ষ করল বলে অনেকে মনে করছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























