ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

পিএসজির শ্বাসরুদ্ধকর জয়, ফ্রেঞ্চ সুপার কাপে স্বপ্নভঙ্গ মার্শেইর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

ফ্রেঞ্চ সুপার কাপের ফাইনালে এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের পর নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে প্যারিস সেন্ত জার্মেই (পিএসজি)। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে সমতাসূচক গোল করে পিএসজি ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়ে যায়। এরপর পেনাল্টি শুটআউটে ৪-১ গোলে মার্শেইকে পরাজিত করে টানা চতুর্থবারের মতো এই শিরোপা নিজেদের করে নিল ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। এই জয়ের ফলে রেকর্ড ১৪তম বারের মতো ফরাসি সুপার কাপের ট্রফি ঘরে তুললো প্যারিসের দলটি, যা গত ১৩ মৌসুমে তাদের ১২তম শিরোপা।

কুয়েতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে, দীর্ঘ ১৪ বছর পর একটি শিরোপার স্বপ্ন দেখছিল মার্শেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্নভঙ্গ হওয়ায় দলটির অনেক খেলোয়াড়কেই অশ্রুসিক্ত নয়নে মাঠ ছাড়তে দেখা যায়।

ম্যাচের শুরুতেই উসমান দেম্বেলের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ীরা তখন সহজেই জয়ের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু ম্যাচের শেষ দিকে অসাধারণ প্রত্যাবর্তন ঘটায় মার্শেই। ম্যাসন গ্রিনউড পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান। এর কিছুক্ষণ পরেই উইলিয়ান পাচোর আত্মঘাতী গোলে ২-১ ব্যবধানে অপ্রত্যাশিত লিড পেয়ে যায় মার্শেই। মনে হচ্ছিল শিরোপা বুঝি তাদের হাতেই যাচ্ছে। তবে নাটকীয়তার তখনো বাকি ছিল। যোগ হওয়া সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে (৯০+৫ মিনিট) গনসালো রামোসের দুর্দান্ত গোলে ২-২ সমতায় ফেরে পিএসজি। এরপর ম্যাচ গড়ায় ভাগ্য নির্ধারণী টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে পিএসজির গোলরক্ষক লুকাস শেভালিয়ের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন। পিএসজির হয়ে গনসালো রামোস, ভিতিনহা, নুনো মেন্দেস ও দেজিরে দুয়ে সফলভাবে গোল করেন, যার ফলে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় তাদের।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্টের

পিএসজির শ্বাসরুদ্ধকর জয়, ফ্রেঞ্চ সুপার কাপে স্বপ্নভঙ্গ মার্শেইর

আপডেট সময় : ০২:৫৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

ফ্রেঞ্চ সুপার কাপের ফাইনালে এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের পর নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে প্যারিস সেন্ত জার্মেই (পিএসজি)। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে সমতাসূচক গোল করে পিএসজি ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়ে যায়। এরপর পেনাল্টি শুটআউটে ৪-১ গোলে মার্শেইকে পরাজিত করে টানা চতুর্থবারের মতো এই শিরোপা নিজেদের করে নিল ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। এই জয়ের ফলে রেকর্ড ১৪তম বারের মতো ফরাসি সুপার কাপের ট্রফি ঘরে তুললো প্যারিসের দলটি, যা গত ১৩ মৌসুমে তাদের ১২তম শিরোপা।

কুয়েতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে, দীর্ঘ ১৪ বছর পর একটি শিরোপার স্বপ্ন দেখছিল মার্শেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্নভঙ্গ হওয়ায় দলটির অনেক খেলোয়াড়কেই অশ্রুসিক্ত নয়নে মাঠ ছাড়তে দেখা যায়।

ম্যাচের শুরুতেই উসমান দেম্বেলের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ীরা তখন সহজেই জয়ের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু ম্যাচের শেষ দিকে অসাধারণ প্রত্যাবর্তন ঘটায় মার্শেই। ম্যাসন গ্রিনউড পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান। এর কিছুক্ষণ পরেই উইলিয়ান পাচোর আত্মঘাতী গোলে ২-১ ব্যবধানে অপ্রত্যাশিত লিড পেয়ে যায় মার্শেই। মনে হচ্ছিল শিরোপা বুঝি তাদের হাতেই যাচ্ছে। তবে নাটকীয়তার তখনো বাকি ছিল। যোগ হওয়া সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে (৯০+৫ মিনিট) গনসালো রামোসের দুর্দান্ত গোলে ২-২ সমতায় ফেরে পিএসজি। এরপর ম্যাচ গড়ায় ভাগ্য নির্ধারণী টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে পিএসজির গোলরক্ষক লুকাস শেভালিয়ের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন। পিএসজির হয়ে গনসালো রামোস, ভিতিনহা, নুনো মেন্দেস ও দেজিরে দুয়ে সফলভাবে গোল করেন, যার ফলে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় তাদের।