ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

নাসুমের রেকর্ড বোলিংয়ে ৬১ রানে শেষ নোয়াখালী!

বিপিএলে ইতিহাস গড়েছেন সিলেট টাইটান্সের স্পিনার নাসুম আহমেদ। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে স্পিনার হিসেবে সেরা বোলিং ফিগারের কীর্তি গড়েছেন তিনি। তার ঘূর্ণিতে মাত্র ৬১ রানে অলআউট হয়ে যায় নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেস। জবাবে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতেছে সিলেট। 

সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে তুলে নেন ৫ উইকেট। বিপিএলে কোনও স্পিনারের সেরা বোলিং হলেও সামগ্রিক হিসেবে পঞ্চম সেরা। যেখানে নাসুমের ডট ছিল ২০টি। 

এর আগে বিপিএলে স্পিনারদের মধ্যে সেরা ফিগারটি ছিল সাকিব আল হাসানের। ২০১৭ সালে ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ১৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

এদিন টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে নোয়াখালী। দ্রুত ২৮ রানের মধ্যে হারায় তিন উইকেট। এরপর নাসুমের ঘূর্ণিতে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে দলটি। একপর্যায়ে ৬ উইকেটে ৫৫ রান করা নোয়াখালীকে নিজের শেষ ওভারে ৯ উইকেটে ৫৬ রানে নামিয়ে আনেন নাসুম।

অভিষেক মৌসুমে টানা তিন ম্যাচ হারা নোয়াখালী এক্সপ্রেস শেষ পর্যন্ত ১৪.২ ওভারে ৬১ রানে গুটিয়ে গেছে। এটি বিপিএল ইতিহাসের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। সিলেটে অবশ্য সর্বনিম্ন স্কোর। 

নোয়াখালীর হয়ে লড়াই করেছেন শুধু মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। ৩২ বলে ২৫ রান করেন তিনি। তাছাড়া ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ১৬ বলে করেন ১৮ রান। তবে নাসুমের সামনে কেউই বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারেননি।

জবাবে সিলেটের শুরুটা মোটেও স্বস্তিদায়ক ছিল না। দ্বিতীয় ওভারে ১ রানে ফেরেন পারভেজ হোসেন (১)। তার পর দ্বিতীয় উইকেটে জয়ের কাছে পৌঁছে যায় তারা। তৌফিক খান ১৮ বলে ৭ চারে ৩২ ও জাকির হাসান ২৩ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলে সপ্তম ওভারের মধ্যে স্কোর নিয়ে যান ৫৪  রানে। তৌফিক ফিরলে ভাঙে ৫৩ রানের জুটি। তার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে আফিফ হোসেন (২) ও জাকির হাসান ফিরলেও ৪ উইকেট হারানো দলটি ৮.৪ ওভারে জয় নিশ্চিত করে। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন সদ্য যোগ দেওয়া মঈন আলী (১) ও আজমউল্লাহ ওমরজাই।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্টের

নাসুমের রেকর্ড বোলিংয়ে ৬১ রানে শেষ নোয়াখালী!

আপডেট সময় : ০৩:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

বিপিএলে ইতিহাস গড়েছেন সিলেট টাইটান্সের স্পিনার নাসুম আহমেদ। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে স্পিনার হিসেবে সেরা বোলিং ফিগারের কীর্তি গড়েছেন তিনি। তার ঘূর্ণিতে মাত্র ৬১ রানে অলআউট হয়ে যায় নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেস। জবাবে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতেছে সিলেট। 

সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে তুলে নেন ৫ উইকেট। বিপিএলে কোনও স্পিনারের সেরা বোলিং হলেও সামগ্রিক হিসেবে পঞ্চম সেরা। যেখানে নাসুমের ডট ছিল ২০টি। 

এর আগে বিপিএলে স্পিনারদের মধ্যে সেরা ফিগারটি ছিল সাকিব আল হাসানের। ২০১৭ সালে ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ১৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

এদিন টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে নোয়াখালী। দ্রুত ২৮ রানের মধ্যে হারায় তিন উইকেট। এরপর নাসুমের ঘূর্ণিতে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে দলটি। একপর্যায়ে ৬ উইকেটে ৫৫ রান করা নোয়াখালীকে নিজের শেষ ওভারে ৯ উইকেটে ৫৬ রানে নামিয়ে আনেন নাসুম।

অভিষেক মৌসুমে টানা তিন ম্যাচ হারা নোয়াখালী এক্সপ্রেস শেষ পর্যন্ত ১৪.২ ওভারে ৬১ রানে গুটিয়ে গেছে। এটি বিপিএল ইতিহাসের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। সিলেটে অবশ্য সর্বনিম্ন স্কোর। 

নোয়াখালীর হয়ে লড়াই করেছেন শুধু মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। ৩২ বলে ২৫ রান করেন তিনি। তাছাড়া ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ১৬ বলে করেন ১৮ রান। তবে নাসুমের সামনে কেউই বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারেননি।

জবাবে সিলেটের শুরুটা মোটেও স্বস্তিদায়ক ছিল না। দ্বিতীয় ওভারে ১ রানে ফেরেন পারভেজ হোসেন (১)। তার পর দ্বিতীয় উইকেটে জয়ের কাছে পৌঁছে যায় তারা। তৌফিক খান ১৮ বলে ৭ চারে ৩২ ও জাকির হাসান ২৩ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলে সপ্তম ওভারের মধ্যে স্কোর নিয়ে যান ৫৪  রানে। তৌফিক ফিরলে ভাঙে ৫৩ রানের জুটি। তার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে আফিফ হোসেন (২) ও জাকির হাসান ফিরলেও ৪ উইকেট হারানো দলটি ৮.৪ ওভারে জয় নিশ্চিত করে। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন সদ্য যোগ দেওয়া মঈন আলী (১) ও আজমউল্লাহ ওমরজাই।