ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

টাঙ্গাইলে ২৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল, কারণ কী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে যাচাই-বাছাইয়ে ২৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শনিবার ও শুক্রবার দুদিনের যাচাই-বাছাইয়ে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

মনোনয়ন বাতিলের তালিকায় জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি ও আমজনতা দলসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রয়েছেন। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের সইয়ে ত্রুটি থাকায় অধিকাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। অন্যান্য অসঙ্গতি থাকায় কয়েকজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ও স্বতন্ত্রসহ ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ত্রুটি ও শর্ত পূরণ না করায় ২৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর মধ্যে শুক্রবার বাছাইয়ের প্রথমদিনে চারটি আসনে নয় জন ও দ্বিতীয়দিন শনিবার চারটি আসনের ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোন্তাজ আলী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হারুন অর রশীদ; টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনোয়ার হোসেন সাগর; টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার, শাহজাহান মিয়া; টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিঞা ও ডা. শাহ আলম তালুকদার; টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার, খেলাফতে মজলিসের হাসনাত আল আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির হাসরত খান ভাসানী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন; টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে জাতীয় পার্টির মো. মামুনুর রহিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী জুয়েল সরকার, রিপন মিয়া, শরিফুল ইসলাম, সাইফুর রহমান; টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটিএম রেজাউল করীম আল রাজি, খেলাফত মজলিসের মো. আবু তাহের ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ হায়দার খান; টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আওয়াল মাহমুদ, আম জনতা দলের মো. আলমগীর হোসেন, খেলাফত মজলিশের মো. শহিদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল ফজল মাহমুদুল হক, এসএম হাবিবুর রহমান ও হাবিবুর রহমান কামাল।

জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘দুই দিনের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিলের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে— এক শতাংশ ভোটারের সইয়ে ত্রুটি, আয়-ব্যয়ের সত্যায়িত কপি জমা না দেওয়া, সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা এবং অবসর পরবর্তী নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হওয়া। এছাড়া আরও কিছু অসঙ্গতি থাকায় কয়েকজনের মনোনয়ন বাতিল হয়।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আ.লীগের সবচেয়ে বড় অপরাধ রাষ্ট্র ও পুলিশের ইউনিফর্মকে দলীয়করণ: তথ্যমন্ত্রী

টাঙ্গাইলে ২৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল, কারণ কী

আপডেট সময় : ০৮:০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে যাচাই-বাছাইয়ে ২৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শনিবার ও শুক্রবার দুদিনের যাচাই-বাছাইয়ে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

মনোনয়ন বাতিলের তালিকায় জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি ও আমজনতা দলসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রয়েছেন। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের সইয়ে ত্রুটি থাকায় অধিকাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। অন্যান্য অসঙ্গতি থাকায় কয়েকজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ও স্বতন্ত্রসহ ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ত্রুটি ও শর্ত পূরণ না করায় ২৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর মধ্যে শুক্রবার বাছাইয়ের প্রথমদিনে চারটি আসনে নয় জন ও দ্বিতীয়দিন শনিবার চারটি আসনের ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোন্তাজ আলী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হারুন অর রশীদ; টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনোয়ার হোসেন সাগর; টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার, শাহজাহান মিয়া; টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিঞা ও ডা. শাহ আলম তালুকদার; টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার, খেলাফতে মজলিসের হাসনাত আল আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির হাসরত খান ভাসানী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন; টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে জাতীয় পার্টির মো. মামুনুর রহিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী জুয়েল সরকার, রিপন মিয়া, শরিফুল ইসলাম, সাইফুর রহমান; টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটিএম রেজাউল করীম আল রাজি, খেলাফত মজলিসের মো. আবু তাহের ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ হায়দার খান; টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আওয়াল মাহমুদ, আম জনতা দলের মো. আলমগীর হোসেন, খেলাফত মজলিশের মো. শহিদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল ফজল মাহমুদুল হক, এসএম হাবিবুর রহমান ও হাবিবুর রহমান কামাল।

জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘দুই দিনের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিলের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে— এক শতাংশ ভোটারের সইয়ে ত্রুটি, আয়-ব্যয়ের সত্যায়িত কপি জমা না দেওয়া, সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা এবং অবসর পরবর্তী নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হওয়া। এছাড়া আরও কিছু অসঙ্গতি থাকায় কয়েকজনের মনোনয়ন বাতিল হয়।’