ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে গেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে গেছে। প্রশাসনের যে দ্বিচারিতামূলক আচরণ, তাতে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা হতে পারে সেটি নিয়ে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি।’

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। 

যাচাই-বাছাইকালে হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার আইনজীবী ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে অন্তত আধা ঘণ্টা বাগবিতণ্ডা হয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের নিয়মানুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগ করতে বলেন। তবে যাচাই-বাছাই শেষে দুজনেরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান।

এ প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচনে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ থাকবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। পর্যাপ্ত যুক্তি ও তথ্য থাকার পরেও আমাদের একজন প্রার্থী ব্যাংক ডিফল্টার, তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েও শোধ করেননি। তিনি এই তথ্যটি গোপন করেছেন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ গোপন করেছেন– এটি ব্যক্তিগত তথ্য গোপনের পর্যায়ে পড়ে। নির্বাচনি বিধিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, যদি কোনও প্রার্থী চাহিদা মোতাবেক তাদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করেন তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করার পরও প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ আচরণ করতে পেরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা প্রত্যাশা করি, কিন্তু মনে হয় প্রশাসন বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। সহজ কথা।’

তবে যাচাই-বাছাই শেষে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী দুজনই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের ৬ রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত: যাত্রীদের জন্য জরুরি বার্তা

প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে গেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে গেছে। প্রশাসনের যে দ্বিচারিতামূলক আচরণ, তাতে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা হতে পারে সেটি নিয়ে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি।’

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। 

যাচাই-বাছাইকালে হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার আইনজীবী ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে অন্তত আধা ঘণ্টা বাগবিতণ্ডা হয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের নিয়মানুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগ করতে বলেন। তবে যাচাই-বাছাই শেষে দুজনেরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান।

এ প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচনে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ থাকবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। পর্যাপ্ত যুক্তি ও তথ্য থাকার পরেও আমাদের একজন প্রার্থী ব্যাংক ডিফল্টার, তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েও শোধ করেননি। তিনি এই তথ্যটি গোপন করেছেন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ গোপন করেছেন– এটি ব্যক্তিগত তথ্য গোপনের পর্যায়ে পড়ে। নির্বাচনি বিধিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, যদি কোনও প্রার্থী চাহিদা মোতাবেক তাদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করেন তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করার পরও প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ আচরণ করতে পেরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা প্রত্যাশা করি, কিন্তু মনে হয় প্রশাসন বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। সহজ কথা।’

তবে যাচাই-বাছাই শেষে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী দুজনই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।