ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

ছায়ানটের ‘গানে গানে সংহতি-সমাবেশে’, নিরাপত্তা ও সংস্কৃতির সুরক্ষার আহ্বান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ছায়ানটে হামলার ঘটনায় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি সারোয়ার আলী বলেছেন, নিরাপত্তাহীনতার অবসান ঘটুক এবং বাঙালি সংস্কৃতির যাত্রাপথ নির্বিঘ্ন হোক।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে ধানমন্ডিতে ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত ‘গানে গানে সংহতি-সমাবেশ’-এ তিনি এই মন্তব্য করেন। আবহমান বাংলা সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তার ওপর সাম্প্রতিক সহিংস আক্রমণের প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সারোয়ার আলী বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যেকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি রক্ষায় সমাজকে সক্রিয় করবে। নিরাপত্তাহীনতার অবসান ঘটুক। বাঙালি সংস্কৃতির যাত্রাপথ নির্বিঘ্ন হোক।”

সমাবেশে দেশের বিশিষ্ট শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংস্কৃতিসেবী ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সংগঠনের শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন বাংলা সংস্কৃতি, মানবতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও প্রতিবাদের শক্তিকে ধারণ করা একাধিক কালজয়ী গান।

এই সংহতি-সমাবেশের মাধ্যমে সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি বাংলা সংস্কৃতির অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নতুন করে উচ্চকিত করাই সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য। গান ও কণ্ঠের ঐক্যের মাধ্যমে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করাই এই আয়োজনের প্রধান বার্তা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসেবা স্থবির বরিশালে: নির্বাচিত প্রতিনিধি শূন্যতায় চরম দুর্ভোগে নগরবাসী

ছায়ানটের ‘গানে গানে সংহতি-সমাবেশে’, নিরাপত্তা ও সংস্কৃতির সুরক্ষার আহ্বান

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ছায়ানটে হামলার ঘটনায় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি সারোয়ার আলী বলেছেন, নিরাপত্তাহীনতার অবসান ঘটুক এবং বাঙালি সংস্কৃতির যাত্রাপথ নির্বিঘ্ন হোক।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে ধানমন্ডিতে ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত ‘গানে গানে সংহতি-সমাবেশ’-এ তিনি এই মন্তব্য করেন। আবহমান বাংলা সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তার ওপর সাম্প্রতিক সহিংস আক্রমণের প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সারোয়ার আলী বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যেকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি রক্ষায় সমাজকে সক্রিয় করবে। নিরাপত্তাহীনতার অবসান ঘটুক। বাঙালি সংস্কৃতির যাত্রাপথ নির্বিঘ্ন হোক।”

সমাবেশে দেশের বিশিষ্ট শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংস্কৃতিসেবী ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সংগঠনের শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন বাংলা সংস্কৃতি, মানবতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও প্রতিবাদের শক্তিকে ধারণ করা একাধিক কালজয়ী গান।

এই সংহতি-সমাবেশের মাধ্যমে সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি বাংলা সংস্কৃতির অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নতুন করে উচ্চকিত করাই সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য। গান ও কণ্ঠের ঐক্যের মাধ্যমে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করাই এই আয়োজনের প্রধান বার্তা।