ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

সেনাসদস্য জাহাঙ্গীরকে কিশোরগঞ্জে দাফন, বাড়িতে শোকের মাতম

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত বাংলাদেশের সেনাসদস্য জাহাঙ্গীর আলমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় নিজ গ্রাম তারাকান্দিতে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে বিকাল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে জাহাঙ্গীর আলমের মরদেহ পাকুন্দিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনা হয়। তারপর সড়কপথে নেওয়া হয় গ্রামের বাড়ি তারাকান্দিতে। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়। পরে জানাজা শেষে দাফনের মাধ্যমে শেষ বিদায় জানানো হয়।

২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগ দেন জাহাঙ্গীর আলম। শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের জন্য চলতি বছরের ৭ নভেম্বর সুদানের আবেই শহরে যান তিনি। তিনি তারাকান্দি গ্রামের হযরত আলীর ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে জাহাঙ্গীর ছিলেন মেজো। বড় ভাই মো. মোস্তফা প্রবাসী এবং ছোট ভাই মো. শাহিন মিয়া কৃষিকাজ করেন। পরিবারে বাবা-মা, দুই ভাই, স্ত্রী রুবাইয়া আক্তার ও তিন বছরের একমাত্র ছেলে ইরফানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বাবা মো. হযরত আলী জানান, তার অন্য এক ছেলেকে যেন সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়া হয়। না হয় তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা চায় চীন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর তাগিদ বেইজিংয়ের

সেনাসদস্য জাহাঙ্গীরকে কিশোরগঞ্জে দাফন, বাড়িতে শোকের মাতম

আপডেট সময় : ০৯:০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত বাংলাদেশের সেনাসদস্য জাহাঙ্গীর আলমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় নিজ গ্রাম তারাকান্দিতে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে বিকাল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে জাহাঙ্গীর আলমের মরদেহ পাকুন্দিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনা হয়। তারপর সড়কপথে নেওয়া হয় গ্রামের বাড়ি তারাকান্দিতে। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়। পরে জানাজা শেষে দাফনের মাধ্যমে শেষ বিদায় জানানো হয়।

২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগ দেন জাহাঙ্গীর আলম। শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের জন্য চলতি বছরের ৭ নভেম্বর সুদানের আবেই শহরে যান তিনি। তিনি তারাকান্দি গ্রামের হযরত আলীর ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে জাহাঙ্গীর ছিলেন মেজো। বড় ভাই মো. মোস্তফা প্রবাসী এবং ছোট ভাই মো. শাহিন মিয়া কৃষিকাজ করেন। পরিবারে বাবা-মা, দুই ভাই, স্ত্রী রুবাইয়া আক্তার ও তিন বছরের একমাত্র ছেলে ইরফানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বাবা মো. হযরত আলী জানান, তার অন্য এক ছেলেকে যেন সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়া হয়। না হয় তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হবে।