ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

খুলনায় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন অভিমুখে কর্মসূচি, পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

খুলনায় মার্চ টু ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কর্মসূচি পালন করেছে ‘আধিপত্যবাদবিরোধী ঐক্যজোট’। তবে এতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এই জোটের ব্যানারে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় নগরীর রয়েল মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়। শান্তিধাম মোড় ঘুরে শামসুর রহমান রোডে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার কার্যালয়ের দিকে যায় মিছিলটি। পরে সিভিল সার্জন অফিসের সামনে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়ে। সেই ব্যারিকেড ভেঙে আরও সামনে যাওয়ার চেষ্টা করলে কনভেনশন সেন্টারের সামনে মিছিলটি আটকে দেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সেখানে কিছু সময় অবস্থানের পর কর্মসূচি শেষ হয়।

কর্মসূচি চলাকালে, ‘হাদির গায়ে গুলি কেন, ভারত তুই জবাব দে’, ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘ভারত যদি বন্ধু হও, খুনি হাসিনাকে ফেরত দাও’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।

আধিপত্যবাদবিরোধী ঐক্যজোটের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া হামীম, সাইফ ও মিরাজ জানান, স্বাধীনতার পর থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করছে। তারা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের খুনি নেতাকর্মীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছে। তাদের ইন্ধনে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। আবার গুলি বর্ষণকারীদেরও আশ্রয় দিয়েছে তারা। যা থেকে প্রমাণ হয় তারা বাংলাদেশের ভালো চায় না। আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের ফেরত না দিলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিটিসিতে ৯৯ ভাষা প্রশিক্ষক নিয়োগ, আবেদন ১৮ মার্চের মধ্যে

খুলনায় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন অভিমুখে কর্মসূচি, পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ১০:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

খুলনায় মার্চ টু ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কর্মসূচি পালন করেছে ‘আধিপত্যবাদবিরোধী ঐক্যজোট’। তবে এতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এই জোটের ব্যানারে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় নগরীর রয়েল মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়। শান্তিধাম মোড় ঘুরে শামসুর রহমান রোডে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার কার্যালয়ের দিকে যায় মিছিলটি। পরে সিভিল সার্জন অফিসের সামনে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়ে। সেই ব্যারিকেড ভেঙে আরও সামনে যাওয়ার চেষ্টা করলে কনভেনশন সেন্টারের সামনে মিছিলটি আটকে দেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সেখানে কিছু সময় অবস্থানের পর কর্মসূচি শেষ হয়।

কর্মসূচি চলাকালে, ‘হাদির গায়ে গুলি কেন, ভারত তুই জবাব দে’, ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘ভারত যদি বন্ধু হও, খুনি হাসিনাকে ফেরত দাও’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।

আধিপত্যবাদবিরোধী ঐক্যজোটের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া হামীম, সাইফ ও মিরাজ জানান, স্বাধীনতার পর থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করছে। তারা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের খুনি নেতাকর্মীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছে। তাদের ইন্ধনে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। আবার গুলি বর্ষণকারীদেরও আশ্রয় দিয়েছে তারা। যা থেকে প্রমাণ হয় তারা বাংলাদেশের ভালো চায় না। আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের ফেরত না দিলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।