শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের পরাজিত ও পতিত অপশক্তিগুলো দেশের সার্বিক অগ্রগতি স্তব্ধ করতে পরিকল্পিত চক্রান্ত চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান।
সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী অভিযোগ করে বলেন, আশুলিয়া ও মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের যৌক্তিক আন্দোলনে শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীরা অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সরকার আন্তরিক এবং তা দ্রুত সমাধান করা হবে। তবে এই সুযোগে পতিত শক্তিগুলো গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে সামনে রেখে ৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী এবং চব্বিশের পতিত শক্তি একত্রিত হয়ে ষড়যন্ত্রে মেতেছে। আশুলিয়া ও মিরপুরের সাম্প্রতিক সহিংসতা ও অগ্নিকাণ্ডের দায় জামায়াতের আমির কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। তাদের ‘সব তছনছ করে দেওয়া’র হুমকিরই বহিঃপ্রকাশ ঘটছে এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে।
পিরোজপুরের ঘটনাকে জাতীয় কলঙ্ক হিসেবে আখ্যায়িত করে রাশেদ খান বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজায় জামায়াত-শিবির সরাসরি বাধা দিয়েছে, যা চরম নিন্দনীয়। এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে দেশে সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এই প্রতিবাদ জারি রাখার আহ্বান জানান।


























