লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সোনালী ব্রিকস (বর্তমানে মিল্লাত ব্রিকস নামে চালুর চেষ্টাধীন) প্রস্তুতের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ভাটার সাবেক মালিকের শতাধিক পাওনাদারের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বকেয়া টাকা পরিশোধ না করে নতুন করে ভাটা চালুর চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন তারা।
সোমবার দুপুরে উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের ওই ইটভাটায় পাওনা টাকার চেক ও নথিপত্র হাতে নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন ভুক্তভোগীরা। তাদের দাবি, সাবেক সোনালী ব্রিকসের মালিক ফারুকী আজমের কাছে স্থানীয় প্রায় এক হাজার মানুষের ৫ কোটি টাকার বেশি বকেয়া রয়েছে। যার মধ্যে উপস্থিত শতাধিক পাওনাদারই প্রায় এক কোটি টাকা পান।
ইব্রাহিম খলিল ভূঁইয়া, আবু তাহের ও আব্দুল মতিনসহ পাওনাদাররা অভিযোগ করেন, জমির চুক্তি ও মাটির মালিকানা এখনো ফারুকী আজমের রয়েছে। পাওনা টাকা পরিশোধ না করে অন্য কোনো পক্ষকে ইটভাটা চালু করতে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে ভাটা দখল ও কার্যক্রম চালুর বিষয়টি ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সোনালী ইটভাটার স্বত্ত্বাধিকারী ফারুকী আজম দাবি করেন, ব্যাংক ঋণের কারণে তাঁর কিছু বন্ধকী জমি নিলাম হলেও প্রতিষ্ঠানটি তাঁরই। একটি পক্ষ অবৈধভাবে এটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। অপরদিকে মিল্লাত ইটভাটার স্বত্ত্বাধিকারী মঞ্জুর হোসেন জানান, তিনি জমি ভাড়া নিয়ে ইটভাটা প্রস্তুত করছেন এবং পরিবেশগত ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছিলেন, যা পরে বাতিল করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর লক্ষ্মীপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হারুনুর অর রশিদ পাঠান বলেন, মিল্লাত নামে আবেদন করা ইটভাটার ছাড়পত্র ও নবায়ন বাতিল করা হয়েছে এবং কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


























