ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া অস্ট্রেলিয়া দল শুরুর দিকে বেশ আত্মবিশ্বাসী থাকলেও, টাইগার পেসারদের অনবদ্য লাইন-লেংথ ও সুইংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেনি। ৪৫ রানের মাথায় অভিষিক্ত ওপেনার জেক ওয়েদারাল্ডকে (২৩) উইকেটরক্ষক লিটন দাসের চোখধাঁধানো ক্যাচে পরিণত করে প্রথম আঘাত হানেন পেসার হাসান মাহমুদ। এর পরেই অজি শিবিরে ধস নামাতে শুরু করে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। দলীয় ৫২ রানের মাথায় বিপজ্জনক ওপেনার ট্রাভিস হেডকে (২২) দুর্দান্ত এক ইন-সুইঙ্গারে বোল্ড আউট করে সাজঘরের পথ দেখান সেই হাসান মাহমুদ।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর ক্রিজে নামেন বিশ্বসেরা ব্যাটারদের অন্যতম মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ। তবে লাবুশেনকে কোনো সুযোগই দেননি ডানহাতি পেসার এবাদত হোসেন। মাত্র ১ রান করা লাবুশেনকে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচে পরিণত করেন এবাদত। অভিজ্ঞ স্টিভ স্মিথ ফিল্ডারদের ক্যাচ মিসের সুযোগে দুবার জীবন পেলেও অন্য প্রান্তে থাকা আক্রমণাত্মক ব্যাটার ক্যামেরন গ্রিনকে স্থায়ী হতে দেননি তাসকিন আহমেদ। ব্যক্তিগত ১৩ রানে তাসকিনের বলে গালিতে থাকা অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন গ্রিন।
ডারউইনের স্যাঁতসেঁতে ও আর্দ্র কন্ডিশনের সর্বোচ্চ সুবিধা আদায় করে চার অভিজ্ঞ অজি ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে ম্যাচের প্রথম দিনেই ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা জাগিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। মধ্যাহ্নভোজ বা লাঞ্চ বিরতির আগে ৭৪ রানে ৪ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়াকে এখন দ্বিতীয় সেশনে টেনে তোলার একমাত্র বড় আশা হিসেবে উইকেটে টিকিয়ে আছেন স্টিভ স্মিথ। প্রথম সেশনে চমৎকার বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়ে হাসান মাহমুদ দুটি এবং তাসকিন ও এবাদত হোসেন একটি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























