মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ঈশ্বরদীতে লোডশেডিং ও অতিরিক্ত বিলের ক্ষোভ: পল্লী বিদ্যুতের মিটার রিডারকে অবরুদ্ধ করল জনতা

পাবনার ঈশ্বরদীতে অসহনীয় লোডশেডিং এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক মিটার রিডারকে প্রায় চার ঘণ্টা আটকে রেখে প্রতিবাদ জানায়। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ না থাকলেও মাস শেষে অস্বাভাবিক বিল পাঠানো হচ্ছে।

অবরুদ্ধ মিটার রিডারের নাম আইনুল হোসেন, যিনি পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর দাশুড়িয়া জোনাল অফিসে কর্মরত। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এর ওপর ভুল মিটার রিডিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিল গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বারবার অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার আশ্বাস দিলে এলাকাবাসী অবরুদ্ধ মিটার রিডারকে ছেড়ে দেয়। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লোডশেডিং একটি জাতীয় সমস্যা এবং বিল সংক্রান্ত কোনো ভুল থাকলে তা তদন্ত সাপেক্ষে সংশোধন করা হবে। তবে গ্রাহকরা দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রায়পুরায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও ককটেল উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

ঈশ্বরদীতে লোডশেডিং ও অতিরিক্ত বিলের ক্ষোভ: পল্লী বিদ্যুতের মিটার রিডারকে অবরুদ্ধ করল জনতা

আপডেট সময় : ১১:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদীতে অসহনীয় লোডশেডিং এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক মিটার রিডারকে প্রায় চার ঘণ্টা আটকে রেখে প্রতিবাদ জানায়। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ না থাকলেও মাস শেষে অস্বাভাবিক বিল পাঠানো হচ্ছে।

অবরুদ্ধ মিটার রিডারের নাম আইনুল হোসেন, যিনি পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর দাশুড়িয়া জোনাল অফিসে কর্মরত। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এর ওপর ভুল মিটার রিডিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিল গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বারবার অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার আশ্বাস দিলে এলাকাবাসী অবরুদ্ধ মিটার রিডারকে ছেড়ে দেয়। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লোডশেডিং একটি জাতীয় সমস্যা এবং বিল সংক্রান্ত কোনো ভুল থাকলে তা তদন্ত সাপেক্ষে সংশোধন করা হবে। তবে গ্রাহকরা দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।