মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

জাইকার বাঁধ প্রকল্পে চাঁদাবাজি: জামায়াত নেতার জামিন নামঞ্জুর

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম এবং বিশ্বজিৎ মণ্ডলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার সাতক্ষীরার আদালতে হাজির হয়ে তারা জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী পবিত্র কুমার জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পের কাজে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে এবং জামিনে থাকলে প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এর আগে, উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন হাজী মো. নজরুল ইসলাম ও বিশ্বজিৎ মণ্ডল। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা পুনরায় জামিন আবেদন করেছিলেন। গত ২৫ মে রাতে শ্যামনগর থানায় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রধান আসামি করা হয়েছে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ ও শুরা সদস্য হাজী মো. নজরুল ইসলামকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুসলিম বিশ্বের ঐতিহাসিক দিনপঞ্জি: বিজয়, চুক্তি ও জন্ম-মৃত্যু

জাইকার বাঁধ প্রকল্পে চাঁদাবাজি: জামায়াত নেতার জামিন নামঞ্জুর

আপডেট সময় : ০৩:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম এবং বিশ্বজিৎ মণ্ডলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার সাতক্ষীরার আদালতে হাজির হয়ে তারা জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী পবিত্র কুমার জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পের কাজে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে এবং জামিনে থাকলে প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এর আগে, উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন হাজী মো. নজরুল ইসলাম ও বিশ্বজিৎ মণ্ডল। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা পুনরায় জামিন আবেদন করেছিলেন। গত ২৫ মে রাতে শ্যামনগর থানায় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রধান আসামি করা হয়েছে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ ও শুরা সদস্য হাজী মো. নজরুল ইসলামকে।