রাজশাহীর দুর্গাপুরে তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং পৌর সদর ও পুরো উপজেলাজুড়ে সাধারণ মানুষের জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও ব্যাঘাত ঘটছে, বিশেষ করে ফ্রিজ ও কোল্ড স্টোরেজ নির্ভর ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। একই সঙ্গে, অনেক পরিবারের ফ্রিজে সংরক্ষিত মাছ, মাংসসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
উপজেলার আমগাছি বাজার এলাকার বাসিন্দা শামীম জানান, প্রতিদিন একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। অনেক সময় টানা কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। রাতের বেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অনেক পরিবারকে নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে।
পৌর সদরের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সুমনা বলেন, চলমান তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
দুর্গাপুরের সচেতন মহল বলছেন, বিদ্যুৎ একটি মৌলিক সেবা। তাই ঘন ঘন লোডশেডিং এবং দীর্ঘ সময়ের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অবসান ঘটিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মাহাবুবুর রহমান বলেন, উপজেলায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৬ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের এই ব্যাপক ব্যবধানের কারণে লোডশেডিং অনিবার্য হয়ে পড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সারা বাংলাদেশের চিত্র একই রকম বিরাজ করছে।
রিপোর্টারের নাম 




















