মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলই হতে পারেন বিএনপির প্রার্থী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অবশেষে ভোটাভুটিতে গড়াতে চলেছে। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম জাতীয় সংসদের সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় সংসদীয় ব্যবস্থায় অন্য সব রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আর মাত্র দুদিন পরই আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যাবে প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রপতি প্রার্থীদের নাম। অন্তত দুজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি এরই মধ্যে স্পষ্ট হয়েছে।

সরকারি দল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রায় চূড়ান্ত হয়েছেন। বিরোধী ১১ দলীয় জোট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বীর বিক্রমকে, যিনি জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও শরিক দল এলডিপির চেয়ারম্যান। বিএনপির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ২৫০ আসন রয়েছে বিএনপি ও দলটির শরিকদের। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অধিকারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যাকে মনোনীত করবে, তিনিই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে নিশ্চিত। তবে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। দলের বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে, মির্জা ফখরুলই রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাচ্ছেন। সম্প্রতি ক্ষমতাসীন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের দায়িত্ব দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। আগামী ১৩ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। সেদিনই পরিষ্কার হয়ে যাবে তারেক রহমান বঙ্গভবনের চাবি কার হাতে তুলে দিতে যাচ্ছেন। আগামী ২০ আগস্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার ভোটাভুটির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছিল, ক্ষমতাসীন বিএনপি যাকে মনোনীত করবে, তিনিই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করে ৩৫ বছর পর ভোটাভুটির মাধ্যমে রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। শনিবার রাতে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সভা শেষে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। জোটগতভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত করে ঘোষণার কথাও জানানো হয় শনিবার রাতে।

গতকাল রোববার ১১ দলীয় জোটের বৈঠক শেষে তাদের…

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসির ফলাফলে বড় বিপর্যয়: ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার পরীক্ষার্থী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলই হতে পারেন বিএনপির প্রার্থী

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অবশেষে ভোটাভুটিতে গড়াতে চলেছে। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম জাতীয় সংসদের সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় সংসদীয় ব্যবস্থায় অন্য সব রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আর মাত্র দুদিন পরই আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যাবে প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রপতি প্রার্থীদের নাম। অন্তত দুজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি এরই মধ্যে স্পষ্ট হয়েছে।

সরকারি দল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রায় চূড়ান্ত হয়েছেন। বিরোধী ১১ দলীয় জোট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বীর বিক্রমকে, যিনি জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও শরিক দল এলডিপির চেয়ারম্যান। বিএনপির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ২৫০ আসন রয়েছে বিএনপি ও দলটির শরিকদের। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অধিকারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যাকে মনোনীত করবে, তিনিই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে নিশ্চিত। তবে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। দলের বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে, মির্জা ফখরুলই রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাচ্ছেন। সম্প্রতি ক্ষমতাসীন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের দায়িত্ব দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। আগামী ১৩ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। সেদিনই পরিষ্কার হয়ে যাবে তারেক রহমান বঙ্গভবনের চাবি কার হাতে তুলে দিতে যাচ্ছেন। আগামী ২০ আগস্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার ভোটাভুটির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছিল, ক্ষমতাসীন বিএনপি যাকে মনোনীত করবে, তিনিই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করে ৩৫ বছর পর ভোটাভুটির মাধ্যমে রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। শনিবার রাতে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সভা শেষে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। জোটগতভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত করে ঘোষণার কথাও জানানো হয় শনিবার রাতে।

গতকাল রোববার ১১ দলীয় জোটের বৈঠক শেষে তাদের…