মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি সরানোর অভিযোগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্নগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর গণভবনে স্থাপিত এই জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাসের সঙ্গে সীমান্ত হত্যা ও ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কিন্তু রহস্যজনকভাবে জাদুঘর থেকে এই অংশগুলো মুছে ফেলা হচ্ছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দোহাই দিয়ে জাতীয় বীরত্বগাথার প্রকৃত ইতিহাসকে সংকুচিত করছে।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও উল্লেখ করেন যে, জাদুঘরে একটি নির্দিষ্ট দলের আন্দোলন-সংগ্রামকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা জুলাই বিপ্লবের সার্বজনীন চেতনাকে ক্ষুণ্ণ করে। তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে যারা লড়াই করেছে, তাদের সবার অবদান এখানে সমানভাবে প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

তিনি আরও দাবি করেন, গণভবন ছিল বিগত স্বৈরাচারী শাসনের কেন্দ্রবিন্দু, যেখান থেকে জনগণের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র করা হতো। তাই এই জাদুঘরকে কোনো দলীয় প্রচারণার কেন্দ্রে পরিণত না করে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাসকে অবিকৃতভাবে তুলে ধরতে টাইমলাইন ভিত্তিক প্রদর্শনী এবং পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি: প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যুবদল নেতার প্রশ্ন

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি সরানোর অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:২৮:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্নগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর গণভবনে স্থাপিত এই জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাসের সঙ্গে সীমান্ত হত্যা ও ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কিন্তু রহস্যজনকভাবে জাদুঘর থেকে এই অংশগুলো মুছে ফেলা হচ্ছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দোহাই দিয়ে জাতীয় বীরত্বগাথার প্রকৃত ইতিহাসকে সংকুচিত করছে।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও উল্লেখ করেন যে, জাদুঘরে একটি নির্দিষ্ট দলের আন্দোলন-সংগ্রামকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা জুলাই বিপ্লবের সার্বজনীন চেতনাকে ক্ষুণ্ণ করে। তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে যারা লড়াই করেছে, তাদের সবার অবদান এখানে সমানভাবে প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

তিনি আরও দাবি করেন, গণভবন ছিল বিগত স্বৈরাচারী শাসনের কেন্দ্রবিন্দু, যেখান থেকে জনগণের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র করা হতো। তাই এই জাদুঘরকে কোনো দলীয় প্রচারণার কেন্দ্রে পরিণত না করে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাসকে অবিকৃতভাবে তুলে ধরতে টাইমলাইন ভিত্তিক প্রদর্শনী এবং পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।