মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

শহীদ আবু সাঈদের ছবি না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক: হাফিজ উদ্দিন আহমদ

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের প্রতীক শহীদ আবু সাঈদের ছবি ছাড়া কোনো প্রামাণ্যচিত্র পূর্ণতা পেতে পারে না। প্রামাণ্যচিত্রে এ ধরনের অসঙ্গতি অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জার। বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক সংবর্ধনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

মুক্তিযুদ্ধ ও বর্তমান গণতান্ত্রিক সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২৭ বছর বয়সে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি, আর এখন ৮২ বছর বয়সে গণতন্ত্রকে চিরস্থায়ী করার জন্য প্রয়োজনে আবারও লড়াই করব।’ তিনি আক্ষেপ করে বলেন, জাতীয় অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করার পরেও হট্টগোল করা শোভন নয়।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করা নির্বাচিত সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের যদি তাদের অধিকারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়, তবে সেটি হবে জাতির জন্য লজ্জার। তিনি প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের জুলাই যোদ্ধাদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে কাজ করার নির্দেশ দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে ‘খবরের পাতায় গণঅভ্যুত্থান ২৪’ : নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস তুলে ধরতে ফটো এক্সিবিশন

শহীদ আবু সাঈদের ছবি না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক: হাফিজ উদ্দিন আহমদ

আপডেট সময় : ০৪:৪০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের প্রতীক শহীদ আবু সাঈদের ছবি ছাড়া কোনো প্রামাণ্যচিত্র পূর্ণতা পেতে পারে না। প্রামাণ্যচিত্রে এ ধরনের অসঙ্গতি অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জার। বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক সংবর্ধনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

মুক্তিযুদ্ধ ও বর্তমান গণতান্ত্রিক সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২৭ বছর বয়সে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি, আর এখন ৮২ বছর বয়সে গণতন্ত্রকে চিরস্থায়ী করার জন্য প্রয়োজনে আবারও লড়াই করব।’ তিনি আক্ষেপ করে বলেন, জাতীয় অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করার পরেও হট্টগোল করা শোভন নয়।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করা নির্বাচিত সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের যদি তাদের অধিকারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়, তবে সেটি হবে জাতির জন্য লজ্জার। তিনি প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের জুলাই যোদ্ধাদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে কাজ করার নির্দেশ দেন।