আজ ২ আগস্ট, যা ‘দ্রোহযাত্রা’র স্মরণে এক বিশেষ দিন। গত বছর, চব্বিশের এই শুক্রবার, জাতীয় প্রেস ক্লাবকে কেন্দ্র করে আবু সাঈদ হত্যার বিচার, আটক শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকদের মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন দেশব্যাপী মিছিলের ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচি ঘিরে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই দিনেই শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফার ঘোষণা আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দিয়েছিল। গত ১৬ জুলাই আবু সাঈদ শহীদের মধ্য দিয়ে স্ফুলিঙ্গ থেকে যে গণবিস্ফোরণ ঘটেছিল, তা কারফিউর মধ্যে কিছুটা স্তিমিত হওয়ার পর এই দিনটি শেখ হাসিনার পতনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
গত ১ আগস্ট ডিবি কার্যালয় থেকে মুক্তি পাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ক এক যৌথ বিবৃতিতে জানান যে, আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা সংক্রান্ত ভিডিওটি তারা স্বেচ্ছায় দেননি, বরং জবরদস্তি করে দেওয়ানো হয়েছে। এই সময়ে বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও রাজধানী ঘিরে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে, যা মাত্র তিন দিনের মধ্যে দেড় দশকের নিষ্ঠুর শাসনের পতন ঘটাতে সহায়ক হয়।
রক্তস্নাত জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে এসে অনেক হতাশাজনক চিত্র দেখা যাচ্ছে। হত্যাযজ্ঞের বিচার নিয়ে টালবাহানা অব্যাহত রয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার দু-একটি মামলায় নিষ্পত্তি বা সাজা হলেও, রাজধানীসহ সারা দেশে খুনিদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলোর তদন্ত ও বিচার এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষমাহীন অবহেলা এবং নির্লিপ্ততা পরিলক্ষিত হচ্ছে। শহীদ পরিবারগুলো দুই বছর পরও বিচারের জন্য আহাজারি করছে এবং জুলাইয়ের স্মৃতি ফিরলেই তাদের অশ্রুধারা প্রবল হচ্ছে।
একটি সহযোগী দৈনিকের সংবাদ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৮৬৫টি মামলার মধ্যে ৮০১টি হত্যা মামলা এবং হত্যাচেষ্টাসহ অন্যান্য অভিযোগে মামলা রয়েছে ১ হাজার ৬৪টি। এসব মামলায়…
রিপোর্টারের নাম 


















