আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসরকে সামনে রেখে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সম্প্রতি ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অনুষ্ঠিত ড্র অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল শক্তিমত্তারা ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপে স্থান পাওয়ায় গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না। ‘বি’ গ্রুপে লঙ্কান ও ভুটানের পাশাপাশি বাংলাদেশ খেলবে। অন্যদিকে, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত ‘এ’ গ্রুপে মালদ্বীপ ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তবে, ফিফার নিষেধাজ্ঞায় থাকা নেপাল যদি ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই বাধা কাটিয়ে উঠতে পারে, তবে তাদের গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং টুর্নামেন্টের সূচি চূড়ান্ত হবে।
সাফের ড্র অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রুপের দল একে অপরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে এবং গ্রুপ পর্ব শেষে শীর্ষ দুই দল সেমিফাইনালে উন্নীত হবে। সেমিফাইনালে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ এবং ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নের মুখোমুখি হবে। ফাইনালের মঞ্চে বিজয়ী দল শিরোপা অর্জন করবে। যদিও কাগজে-কলমে বাংলাদেশের গ্রুপটি তুলনামূলকভাবে সহজ মনে হচ্ছে, তবে সাফের ইতিহাসে কোনো ম্যাচকেই সহজভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। নেপালের অন্তর্ভুক্তি গ্রুপের সমীকরণ বদলে দিতে পারে। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও পরিসংখ্যান বিবেচনায়, সেমিফাইনালে পৌঁছানো বাংলাদেশের জন্য অসম্ভব না হলেও, সেখানে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হবে। এরপর শিরোপা জিততে হলে ফাইনালের মঞ্চে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে কোচ থমাস ডুলির শিষ্যদের।
বর্তমান ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ (১৮১তম) তার গ্রুপ প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা (১৮৭তম) ও ভুটান (১৯২তম) থেকে এগিয়ে থাকলেও, দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে শ্রীলঙ্কাকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। চলতি বছরে শ্রীলঙ্কা তাদের খেলা দুটি ম্যাচেই জয়লাভ করেছে, যার মধ্যে এএফসি এশিয়ান বাছাই পর্বে চাইনিজ তাইপেকে ৩-১ গোলে পরাজিত করার পাশাপাশি একটি প্রীতি ম্যাচে তারা ৪-১ গোলে জয়ী হয়েছে। এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দেয় যে, বাংলাদেশকেও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















