গাজীপুরের টঙ্গীতে নয় বছর বয়সী দুই শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানি ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ইব্রাহিম খলিল (৩৫) নামে এক মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষককে গাজীপুর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে টঙ্গীর মুদাফা বিশারটেক এলাকার হাজী কালু মিয়া মহিলা মাদরাসায়। গ্রেপ্তারকৃত ইব্রাহিম খলিল ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাজী কালু মিয়া মহিলা মাদরাসার শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল প্রায়ই নাবালিকা শিশুদের উত্ত্যক্ত করতেন। গত বুধবার তিনি প্রথম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে তার কক্ষে নিয়ে শ্লীলতাহানি করেন এবং বিষয়টি কাউকে না জানাতে হুমকি দেন। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে একই শ্রেণির অপর এক ছাত্রীকেও তিনি শ্লীলতাহানি ও যৌন নিপীড়নের শিকার করেন। শিশুটি বাসায় গিয়ে অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে এলাকাবাসী বিক্ষোভ প্রদর্শন ও মাদরাসা ঘেরাও করে ভাংচুর চালায়। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার দুপুরে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোনো রিমান্ড আবেদন করা হয়নি।
রিপোর্টারের নাম 






















