২০২৬ সাল। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নবীন সূর্যের উদয় হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত বিএনপি সরকার দেশ পরিচালনায় ব্রতী। এই সময়ে, অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামের বীরত্বগাথাগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। এমনই এক অকুতোভয় যোদ্ধা ফাতেমা রহমান বীথি, যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল সময়ে মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও অসংখ্য সহযোদ্ধার প্রাণ বাঁচিয়েছেন। টিয়ারগ্যাস, শেল আর গুলির বৃষ্টি উপেক্ষা করে টাঙ্গাইলের রাজপথে তিনি যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা এক রুদ্ধশ্বাস গল্প।
জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়েও টাঙ্গাইলের রাজপথে গণআন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রেরণা কী ছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে ফাতেমা রহমান বীথি বলেন, ‘আমি ২০১৮ সাল থেকেই রাজনৈতিকভাবে সক্রিয়। তবে জুলাই অভ্যুত্থানে আমার প্রধান অনুপ্রেরণা ছিল একটি বৈষম্যমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা। যখন দেখেছি মানুষের মতপ্রকাশের অধিকার সংকুচিত হচ্ছে, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ন্যায্য দাবির ওপর দমনপীড়ন চালানো হচ্ছে, তখন মনে হয়েছে—নীরব থাকা মানে অন্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ করা।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রতি মুহূর্তে জীবনের ঝুঁকি ছিল ঠিকই; কিন্তু স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার রক্ষার সংগ্রাম আর দায়িত্ববোধ সেই ঝুঁকির চেয়েও অনেক বড়। তাই ভয়কে নয়, দায়িত্ববোধ সামনে রেখেই টাঙ্গাইলের রাজপথে সক্রিয় থেকেছি এবং সহযোদ্ধাদের সঙ্গে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’
পুরুষতান্ত্রিক সমাজে একজন নারী হিসেবে মিছিলে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? ফাতেমা রহমান জানান, ‘আমাদের সমাজব্যবস্থা এখনো অনেকাংশেই পুরুষতান্ত্রিক। কিন্তু ইতিহাসের প্রতিটি ন্যায্য আন্দোলন-সংগ্রামেই দেখবেন, পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। একজন নারী হিসেবে রাজপথের এই লড়াই আমার কাছে কেবল ব্যক্তিগত সাহসের পরীক্ষা ছিল না; বরং এটি ছিল সামাজিক বাধা অতিক্রমের এক অনন্য অভিজ্ঞতা। ছাত্রলীগের হুমকি-হামলা, পুলিশের ব্যারিকেড এবং গ্রেপ্তারের আশঙ্কার মধ্যেও সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এই বিশ্বাস থেকে যে, ন্যায্য দাবির আন্দোলনে ভয়কে জয় করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘নেতৃত্ব মানে তো শুধু সামনে দাঁড়িয়ে থাকা নয়; বরং সংকটের মুহূর্তে সহযোদ্ধাদের সাহস জোগানো, ঐক্য ধরে রাখা এবং আন্দোলনের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না হওয়া। নারী হিসেবে রাজপথে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে নানা ধরনের চাপ ও ঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছি, মামলারও শিকার হয়েছি। তবে এর পাশাপাশি…’ (অসম্পূর্ণ)
রিপোর্টারের নাম 






















