পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে একটি জাতীয় কমিশন গঠনের জোরালো দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন কমিটি। সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত পাঁচ মাসে চুক্তি বাস্তবায়নে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি।
বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ৫ মাস: পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের অগ্রগতির মূল্যায়ন’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা থেকে এই দাবি উত্থাপন করা হয়। সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনটির যুগ্ম সমন্বয়কারী জাকির হোসেন তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৮০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নকে সেই কর্মসূচির অগ্রাধিকার তালিকায় রাখার আহ্বান জানানো হলেও, পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার তাদের ৩১ দফা কর্মসূচিতে একটি বহুজাতিক ও বহুত্ববাদী ‘রেইনবো নেশন’ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই প্রতিশ্রুতি পূরণে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং আদিবাসীদের অধিকার নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক পার্বত্য অঞ্চলে অতিমাত্রায় সামরিকীকরণের সমালোচনা করে বলেন, নিরাপত্তার অজুহাতে সামরিকীকরণ সাধারণ মানুষের জীবনযাপন ব্যাহত করছে। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে অংশীজনদের সম্পৃক্ত করতে অবিলম্বে একটি জাতীয় কমিশন গঠনের ওপর জোর দেন।
সভায় এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক এবং সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ক্বাফি রতনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন।
রিপোর্টারের নাম 






















