কক্সবাজারের উপকূলীয় উপজেলা পেকুয়ায় গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুটি বাড়িতে ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে। এ সময় ডাকাতরা নগদ সাড়ে ৮ লাখ টাকা এবং ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়।
রোববার দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে পেকুয়া পৌরসভার সিকদারপাড়ায় সৌদিপ্রবাসী জমির আলম ও মহেশখালী উপজেলার রেজাউল করিমের বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ভুক্তভোগী রেজাউল করিম সাংবাদিকদের জানান, রাতে মোটরসাইকেল দেখতে বাইরে গেলে পাশের একটি দোকানে কয়েকজনের সঙ্গে বসেছিলেন তিনি। রাত ৩টার দিকে একটি সাদা মাইক্রোবাস দ্রুত চলে যেতে দেখেন। এর কিছুক্ষণ পর ৩-৪ জন অপরিচিত ব্যক্তি তার পরিচয় জানতে চেয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে বাড়িতে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, বাড়িতে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া ৭-৮ জন মুখোশধারী ডাকাত পরিবারের সদস্যদের একটি কক্ষে আটকে রাখে। এরপর তারা ঘরে তল্লাশি চালায় এবং চিৎকার করলে গুলি করার হুমকি দেয়।
রেজাউলের ভাষ্যমতে, তার কক্ষ থেকে নগদ সাড়ে ৬ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং তার বড় ভাই সৌদিপ্রবাসী জমির আলমের কক্ষ থেকে আরও আড়াই লাখ টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়। লুটপাট শেষে ডাকাতদল অস্ত্র উঁচিয়ে মাইক্রোবাসে করে পালিয়ে যায়।
সৌদিপ্রবাসী জমির আলমের স্ত্রী আমেনা বেগম জানান, ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার গলার চেইন ও কানের দুল খুলে নেয়। এছাড়া আলমারির তালা ভেঙে ড্রয়ারে থাকা নগদ টাকা ও অন্যান্য স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে নিয়ে যায়।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























