দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। সংসদ সচিবালয় এবং ক্ষমতাসীন দলের সূত্রগুলো জানিয়েছে, সংসদের পরবর্তী অধিবেশন শুরু হলেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ক্ষমতাসীন দলের ভেতরে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের নামও আলোচনায় রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নামও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে উঠে এসেছে। তবে, দলের নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ও শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের ক্ষেত্রে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন মূলত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক বিবেচনার ওপরই নির্ভর করবে। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান এবং তিনি জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ এবং বিধিমালা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা মনোনীত রিটার্নিং কর্মকর্তা এই নির্বাচন পরিচালনা করেন। জাতীয় সংসদের সদস্যরাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন এবং কোনো সংসদ সদস্য প্রার্থী হতে না পারলেও তারা প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে পারেন।
রিপোর্টারের নাম 




















