ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

জাতিসংঘের তদন্তে প্রমাণ না মিললেও যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আইসিসি প্রধান কৌঁসুলি করিম খান অপসারিত

যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খানকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সদস্য দেশগুলোর পরিষদ ‘অ্যাসেম্বলি অব স্টেটস পার্টিজ’ ভোটাভুটির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। করিম খানের আইনি দল অবশ্য এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাবেক পররাষ্ট্রনীতি-বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল এটিকে ‘আইসিসির বিরুদ্ধে পরিচালিত বৃহত্তর আক্রমণের অংশ’ বলে মন্তব্য করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছিলেন করিম খান। পরে আইসিসি বিচারকেরা সেই পরোয়ানা জারি করেন। এর ফলে করিম খান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই তাকে অপসারণের জন্য ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।

করিম খানের আইনি দলের প্রধান তায়াব আলী জানিয়েছেন, জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ তদারকি দপ্তর (ওআইওএস) এবং একটি স্বাধীন জুডিশিয়াল প্যানেল তাদের তদন্তে করিম খানের বিরুদ্ধে কোনো অসদাচরণ বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পায়নি। তিনি অভিযোগ করেন, করিম খানকে আত্মপক্ষ সমর্থনের ন্যায্য সুযোগ না দিয়ে এবং প্রমাণ পর্যালোচনা না করেই অপসারণ করা হয়েছে, যা আইসিসির স্বাধীনতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি, সংকট কাটছে না দ্রুত

জাতিসংঘের তদন্তে প্রমাণ না মিললেও যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আইসিসি প্রধান কৌঁসুলি করিম খান অপসারিত

আপডেট সময় : ১০:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খানকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সদস্য দেশগুলোর পরিষদ ‘অ্যাসেম্বলি অব স্টেটস পার্টিজ’ ভোটাভুটির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। করিম খানের আইনি দল অবশ্য এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাবেক পররাষ্ট্রনীতি-বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল এটিকে ‘আইসিসির বিরুদ্ধে পরিচালিত বৃহত্তর আক্রমণের অংশ’ বলে মন্তব্য করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছিলেন করিম খান। পরে আইসিসি বিচারকেরা সেই পরোয়ানা জারি করেন। এর ফলে করিম খান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই তাকে অপসারণের জন্য ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।

করিম খানের আইনি দলের প্রধান তায়াব আলী জানিয়েছেন, জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ তদারকি দপ্তর (ওআইওএস) এবং একটি স্বাধীন জুডিশিয়াল প্যানেল তাদের তদন্তে করিম খানের বিরুদ্ধে কোনো অসদাচরণ বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পায়নি। তিনি অভিযোগ করেন, করিম খানকে আত্মপক্ষ সমর্থনের ন্যায্য সুযোগ না দিয়ে এবং প্রমাণ পর্যালোচনা না করেই অপসারণ করা হয়েছে, যা আইসিসির স্বাধীনতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।