নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল দ্রুত ঘোষণা করা হবে। শুক্রবার মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর তিনি গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
ইসি মোল্লা বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন-১৯৯১ অনুসারে, ৯০ দিনের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই এই নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি আরও জানান যে, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের ন্যায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এরপর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, অথবা একক প্রার্থী থাকলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
আগামীকাল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। রবিবার বা তার পরবর্তী কোনো দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার। নির্বাচন কমিশন এই ভোটার তালিকা তৈরি করবে এবং এরপর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
শুক্রবার বিকেলে এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষর করা পদত্যাগপত্র বিকেল ৫টার দিকে তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। স্পিকার বলেন, তিনি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন এবং সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
স্পিকার জানান, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর অসুস্থ। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ায় শারীরিক ও মানসিকভাবে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালনে অসামর্থ্য হওয়ায় তিনি পদত্যাগ করেছেন। উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন এবং আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 




















