ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে চলমান বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত না হওয়ার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে সতর্ক করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী দিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। তাই কোনো বেআইনি সমাবেশে অংশ নিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় জোর দিয়ে বলেছে যে, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিরাপত্তা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের সমাবেশে অংশ নিলে তা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত করার পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সবাইকে আইন মেনে চলতে এবং নিজের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চলমান পরিস্থিতিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ার বিষয়েও সতর্ক করেছে। যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য শেয়ার বা প্রতিক্রিয়া জানানো থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মেডিকেল প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) যন্তর মন্তরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২০ জুন ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির সময় হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এই আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটও। সিজেপি এবং বিরোধী দলগুলোর দাবি, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ করতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























