জুলাই মাসের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কুমিল্লা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ‘বঙ্গবন্ধু বুক কর্নার’ স্থাপনের জন্য বাজেট বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে স্বাক্ষরিত একটি খরচের খাতে এই বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। কুমিল্লা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বজলুর রহমান এই বাজেট অনুমোদন করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ৩০ জুনের মধ্যে বরাদ্দকৃত বাজেট অনুযায়ী ‘বঙ্গবন্ধু বুক কর্নারে’র জন্য বই কেনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ও প্রচার-প্রচারণার জন্য ১০ লাখ টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।
এদিকে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও সরকারি প্রতিষ্ঠানে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বিভিন্ন কার্যক্রম চালু থাকা নিয়ে কয়েকটি মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের অভিযোগ, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে গত ১৬ বছরে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বিভিন্ন কর্নার ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা অপচয় ও অনিয়ম হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কুমিল্লা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ‘বঙ্গবন্ধু বুক কর্নার’-এর জন্য বই কেনার উদ্যোগকে ‘জুলাই আন্দোলনের’ সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মেনে নিতে পারছেন না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক আবু রায়হান বলেন, “এমন চিত্র বিভিন্ন সরকারি অফিসে এখনো দেখা যায়। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বজলুর রহমান বলেন, “এটা অনিচ্ছাকৃতভাবে হয়ে গেছে। বিষয়টি আমরা বাদ দিয়ে দেব। অফিসের কেউ আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এটা করা হয়েছে।”
রিপোর্টারের নাম 
























