কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আবু হানিফের সঙ্গে হত্যা মামলার আসামি ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদের গোপন বৈঠকের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হাতে হেনস্তার শিকার হয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব। গত সোমবার সকালে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেবিদ্বারে সংঘটিত আবদুর রাজ্জাক রুবেল ও স্কুলছাত্র সাব্বির হোসেন হত্যা মামলাসহ মোট পাঁচটি হত্যা ও মারামারির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আসামি ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মাসুদ।
অভিযোগ রয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পর চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ আত্মগোপনে চলে যান। পরে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় আট মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। সম্প্রতি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ নেন বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ইউনিয়ন পরিষদে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিস্থিতি এড়াতে চেয়ারম্যান পরিষদে না এসে গোপনে ইউনিয়ন সচিব আবু হানিফকে নিজ বাড়িতে ডেকে বৈঠক করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সচিবের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে হেনস্তা করে। ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আবু হানিফ বলেন, তার অফিস কক্ষে এসে তাকে মারধর করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























