ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি, দেশের বিভিন্ন পয়েন্টে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবিরাম বৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানি চারটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

পাউবোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জের ছাতক পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার ও সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার এবং সোমেশ্বরী নদীর পানি নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে পাউবোর পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি স্টেশনের মধ্যে ৭৫টিতেই পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানিও বিভিন্ন পয়েন্টে বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, চাঁদপুর ও বরগুনায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয় অংশেও ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় দেশের নদ-নদীর পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা ব্যর্থ, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি

বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি, দেশের বিভিন্ন পয়েন্টে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

আপডেট সময় : ১২:০০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবিরাম বৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানি চারটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

পাউবোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জের ছাতক পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার ও সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার এবং সোমেশ্বরী নদীর পানি নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে পাউবোর পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি স্টেশনের মধ্যে ৭৫টিতেই পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানিও বিভিন্ন পয়েন্টে বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, চাঁদপুর ও বরগুনায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয় অংশেও ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় দেশের নদ-নদীর পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।