ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো গভীর সমুদ্রের বিরল ‘জ্যাকেট মাছ’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে বিরল প্রজাতির একটি মৃত সামুদ্রিক মাছ ভেসে এসেছে। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘জ্যাকেট মাছ’ বা ‘পটকা মাছ’ নামে পরিচিত হলেও এর প্রকৃত নাম ‘ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট’ বা ‘ফাইলফিশ’। রোববার বিকেলে সৈকতের চর গঙ্গামতি এলাকায় মাছটি দেখতে পান স্থানীয় এক বাসিন্দা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম ‘আলুটেরাস মোনোসেরাস’। এদের শরীর চ্যাপ্টা এবং চামড়া খসখসে ও শক্ত হওয়ার কারণে একে লেদারজ্যাকেট বলা হয়। সাধারণত এগুলো গভীর সমুদ্রে বসবাস করে এবং শৈবাল, জেলিফিশ বা ছোট অমেরুদণ্ডী প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে। বাংলাদেশে উপকূলে এ ধরনের মাছ ভেসে আসার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।

মৎস্য কর্মকর্তাদের ধারণা, সমুদ্রের পরিবেশগত পরিবর্তন, আবহাওয়া বা অসুস্থতার কারণে মাছটি মৃত অবস্থায় তীরে ভেসে আসতে পারে। বিরল এই সামুদ্রিক প্রাণীটি দেখতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের ঘটনাগুলো গবেষণার দাবি রাখে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু, ৩৭২ আক্রান্ত

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো গভীর সমুদ্রের বিরল ‘জ্যাকেট মাছ’

আপডেট সময় : ১১:৪০:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে বিরল প্রজাতির একটি মৃত সামুদ্রিক মাছ ভেসে এসেছে। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘জ্যাকেট মাছ’ বা ‘পটকা মাছ’ নামে পরিচিত হলেও এর প্রকৃত নাম ‘ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট’ বা ‘ফাইলফিশ’। রোববার বিকেলে সৈকতের চর গঙ্গামতি এলাকায় মাছটি দেখতে পান স্থানীয় এক বাসিন্দা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম ‘আলুটেরাস মোনোসেরাস’। এদের শরীর চ্যাপ্টা এবং চামড়া খসখসে ও শক্ত হওয়ার কারণে একে লেদারজ্যাকেট বলা হয়। সাধারণত এগুলো গভীর সমুদ্রে বসবাস করে এবং শৈবাল, জেলিফিশ বা ছোট অমেরুদণ্ডী প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে। বাংলাদেশে উপকূলে এ ধরনের মাছ ভেসে আসার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।

মৎস্য কর্মকর্তাদের ধারণা, সমুদ্রের পরিবেশগত পরিবর্তন, আবহাওয়া বা অসুস্থতার কারণে মাছটি মৃত অবস্থায় তীরে ভেসে আসতে পারে। বিরল এই সামুদ্রিক প্রাণীটি দেখতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের ঘটনাগুলো গবেষণার দাবি রাখে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।