চলমান বিশ্বকাপের শেষ লগ্নে এসে নিজের ফুটবলীয় প্রতিভার দ্যুতি ছড়িয়েছেন তরুণ ইংলিশ উইঙ্গার বুকায়ো সাকা। আসরজুড়ে প্রত্যাশিত সময় মাঠে না পাওয়ার আক্ষেপ থাকলেও, যখনই সুযোগ পেয়েছেন, নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে ফ্রান্সের বিপক্ষে তার লড়াকু ফুটবল ফুটবলবোদ্ধাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে।
খেলার মাঠে পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়া নিয়ে সাকা বেশ পরিপক্বতার পরিচয় দিয়েছেন। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবে আরও বেশি সময় মাঠে থাকার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও দলের প্রয়োজনে কোচের সিদ্ধান্তকে তিনি সম্মান করেন। সাকার মতে, মাঠের বাইরের আলোচনা বা বিতর্কের চেয়ে মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে জবাব দেওয়াটাই একজন ফুটবলারের আসল কাজ।
ইংল্যান্ড দলের প্রধান কোচ টমাস টুখেল কৌশলগত কারণে এবং সাকার ফিটনেস ও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা মাথায় রেখে তাকে অনেক সময় সাইডলাইনে রেখেছেন। তবে পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র ৩৫৭ মিনিট খেলে সাকা তিনটি গোল এবং তিনটি অ্যাসিস্ট করেছেন। অর্থাৎ প্রতি ৫৯.৫ মিনিটে তিনি দলের কোনো না কোনো গোলে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন, যা যে কোনো বিশ্বমানের ফরোয়ার্ডের জন্য এক ঈর্ষণীয় সাফল্য।
ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচসেরা হওয়ার পর সাকার পারফরম্যান্স নিয়ে ফুটবল বিশ্বে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কোচ টুখেলও তার প্রশংসা করে জানিয়েছেন, সাকা তার অন্যতম প্রধান অস্ত্র এবং তাকে নিয়ে ধীরে এগোনোর পরিকল্পনা ছিল তার। যদিও সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সাকাকে শুরুর একাদশে না রাখা নিয়ে বিতর্ক রয়েই গেছে, তবে সাকা প্রমাণ করেছেন সুযোগ পেলে তিনি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম।
রিপোর্টারের নাম 

























