ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ১০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম, তদন্তে নামছে দুদক ও সিআইডি

ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (ইইউবি) সাবেক ট্রাস্টি বোর্ডের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রাথমিক তদন্তে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। গত ৭ জুলাই কাজ শুরু করা এই প্রশাসক টিম রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে।

বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাবেক ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং ব্যাপক অনিয়মের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে আচার্য ও রাষ্ট্রপতি গত ৫ জুলাই প্রশাসক নিয়োগ দেন। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, আরজেএসসিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের কোনো বৈধ নিবন্ধন নেই। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত মিরপুরের ১০ তলা ভবন এবং শ্যামলীতে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের ফ্লোর তসরুপের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আর্থিক গরমিল ও সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সিআইডিকে তদন্তের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টিতে সার্টিফিকেট বাণিজ্য, অনুমোদনের চেয়ে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি এবং দীর্ঘ সময় সমাবর্তন না করার মতো গুরুতর অভিযোগও পাওয়া গেছে। এই অনিয়মগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বর্তমান প্রশাসন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়: একজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ১০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম, তদন্তে নামছে দুদক ও সিআইডি

আপডেট সময় : ১১:১১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (ইইউবি) সাবেক ট্রাস্টি বোর্ডের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রাথমিক তদন্তে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। গত ৭ জুলাই কাজ শুরু করা এই প্রশাসক টিম রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে।

বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাবেক ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং ব্যাপক অনিয়মের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে আচার্য ও রাষ্ট্রপতি গত ৫ জুলাই প্রশাসক নিয়োগ দেন। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, আরজেএসসিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের কোনো বৈধ নিবন্ধন নেই। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত মিরপুরের ১০ তলা ভবন এবং শ্যামলীতে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের ফ্লোর তসরুপের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আর্থিক গরমিল ও সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সিআইডিকে তদন্তের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টিতে সার্টিফিকেট বাণিজ্য, অনুমোদনের চেয়ে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি এবং দীর্ঘ সময় সমাবর্তন না করার মতো গুরুতর অভিযোগও পাওয়া গেছে। এই অনিয়মগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বর্তমান প্রশাসন।