গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী পাঁচজন সাংবাদিকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)। রোববার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রতিটি পরিবারকে এক লাখ টাকা ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক, কবি ও গবেষক আবদুল হাই শিকদারের সম্পাদনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রেস সেক্রেটারি মারুফ কামাল খান সোহেল।
আমার দেশ সম্পাদক এবং ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান বলেন, “আমি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। এই শহীদেরা তাদের অল্প বয়সের জীবন উৎসর্গ না করলে আমরা স্বাধীনতা ফিরে পেতাম না; আমি আমার নির্বাসনজীবন থেকে ফিরে আসতে পারতাম না। আমি আবার আমার দেশ চালু করতে পারতাম না। কাজেই এদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।” তিনি আরও বলেন, “যত দিন ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল থাকবে, তত দিন আমরা শহীদ পরিবারের পাশে থাকব।”
আমার দেশ সম্পাদক দেশের মানুষের মধ্যে তোষামোদ ও তোষামোদি পছন্দের প্রবণতা নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, “একটি সমস্যা আমার মনে হয়, আমরা জাতি হিসেবে তোষামোদ ও তোষামোদি পছন্দ করি। অদ্ভুত আমাদের ন্যাশনাল ক্যারেক্টার। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল এই তোষামদিতে বিশ্বাস করে না।”
রিপোর্টারের নাম 

























