ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

মালয়েশিয়ায় পাচারকালে টেকনাফ থেকে ২৮ জন উদ্ধার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের সময় কক্সবাজারে টেকনাফ থেকে নারী ও শিশুসহ ২৮ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড ও পুলিশ। সোমবার রাতে টেকনাফের বাহারছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

সিয়াম-উল-হক জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাত প্রায় ১টার দিকে অভিযান চালানো হয়। মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি বড় দল কচ্ছপিয়া ঘাট উপকূলে জড়ো হয়েছিল। পরে বাহারছড়া কোস্টগার্ড আউটপোস্ট ও পুলিশের সমন্বিত দল সেখানে অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে উদ্ধার করে।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তিরা জানান, একাধিক সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র ভালো চাকরি, উন্নত জীবন ও কম খরচের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এনেছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিক ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মানবপাচারে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান সিয়াম-উল-হক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্টের

মালয়েশিয়ায় পাচারকালে টেকনাফ থেকে ২৮ জন উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৯:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের সময় কক্সবাজারে টেকনাফ থেকে নারী ও শিশুসহ ২৮ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড ও পুলিশ। সোমবার রাতে টেকনাফের বাহারছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

সিয়াম-উল-হক জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাত প্রায় ১টার দিকে অভিযান চালানো হয়। মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি বড় দল কচ্ছপিয়া ঘাট উপকূলে জড়ো হয়েছিল। পরে বাহারছড়া কোস্টগার্ড আউটপোস্ট ও পুলিশের সমন্বিত দল সেখানে অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে উদ্ধার করে।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তিরা জানান, একাধিক সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র ভালো চাকরি, উন্নত জীবন ও কম খরচের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এনেছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিক ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মানবপাচারে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান সিয়াম-উল-হক।