ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষকই ছুটিতে, ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মোট শিক্ষকের প্রায় ৩২ শতাংশই বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ছুটিতে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৬ জন শিক্ষকের মধ্যে ৯১ জনই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষা কার্যক্রমে স্থবিরতা ও সেশনজটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ছুটিতে থাকা শিক্ষকদের মধ্যে ৮৮ জন উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষা ছুটিতে আছেন এবং বাকিরা ডেপুটেশন বা বাধ্যতামূলক ছুটিতে রয়েছেন। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের বিভাগগুলোতে শিক্ষকের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

এছাড়া উচ্চশিক্ষা বা প্রশিক্ষণে গিয়ে নির্ধারিত শর্ত ভঙ্গ করায় অনেক শিক্ষকের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে ১৯টি বিভাগের প্রায় সাড়ে ছয় হাজার শিক্ষার্থীর নিয়মিত ক্লাস ও কোর্স পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে প্রতি ৩৪ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র একজন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় অনেক কম। দ্রুত এই সংকট নিরসন করে স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত: শ্রেষ্ঠ কর্মীদের সম্মাননা প্রদান

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষকই ছুটিতে, ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম

আপডেট সময় : ১২:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মোট শিক্ষকের প্রায় ৩২ শতাংশই বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ছুটিতে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৬ জন শিক্ষকের মধ্যে ৯১ জনই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষা কার্যক্রমে স্থবিরতা ও সেশনজটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ছুটিতে থাকা শিক্ষকদের মধ্যে ৮৮ জন উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষা ছুটিতে আছেন এবং বাকিরা ডেপুটেশন বা বাধ্যতামূলক ছুটিতে রয়েছেন। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের বিভাগগুলোতে শিক্ষকের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

এছাড়া উচ্চশিক্ষা বা প্রশিক্ষণে গিয়ে নির্ধারিত শর্ত ভঙ্গ করায় অনেক শিক্ষকের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে ১৯টি বিভাগের প্রায় সাড়ে ছয় হাজার শিক্ষার্থীর নিয়মিত ক্লাস ও কোর্স পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে প্রতি ৩৪ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র একজন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় অনেক কম। দ্রুত এই সংকট নিরসন করে স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।