বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে সুইস স্ট্রাইকার ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ড পাওয়া নিয়ে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ম্যাচের ৭২তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। শুরুতে রেফারি আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে ফাউলের জন্য হলুদ কার্ড দেখালেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর-এর হস্তক্ষেপে সিদ্ধান্ত বদলে যায়।
ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, পারেদেসের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে এমবোলোর পড়ে যাওয়ার পেছনে কোনো জোরালো শারীরিক স্পর্শ ছিল না। বরং তিনি ফাউল আদায়ের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ডাইভ দিয়েছিলেন, যাকে ফুটবলের ভাষায় ‘সিমুলেশন’ বলা হয়। আইএফএবি-এর সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, রেফারি যদি ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখান, তবে ভিএআর তা সংশোধনের আহ্বান জানাতে পারে। এই নিয়মেই পারেদেসের কার্ড বাতিল করে এমবোলোকে শাস্তি দেওয়া হয়।
ফিফার আইন ১২ অনুযায়ী, সিমুলেশন বা রেফারিকে বিভ্রান্ত করা একটি অক্রীড়াসুলভ আচরণ এবং এর শাস্তি হিসেবে হলুদ কার্ড বাধ্যতামূলক। যেহেতু এমবোলোর আগে থেকেই একটি হলুদ কার্ড ছিল, তাই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পাওয়ায় তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডে পরিণত হয়। কান্নায় ভেঙে পড়ে মাঠ ছাড়লেও নিয়মের বেড়াজালে এমবোলোর বিদায়টি ছিল আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগের একটি উদাহরণ।
রিপোর্টারের নাম 
























